ঢাজা ১২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় টাকায় মিলছে অবৈধ ব্যাটারী চালিত টমটমের রোড পারমিট।

চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন ৩৮নং ওয়ার্ড সল্টগোলা ক্রসিং গলি এলাকায় ১৫ হাজার টাকা দিলেই মিলছে অবৈধ ব্যাটারী চালিত টমটমের রোড পারমিট বলছি টমটমের মাসুদ ও মাছুমের কথা। চাঁদার বিষয়ে টমটমের কয়েকজন চালকের কাছে জানতে চাইলে সংবাদমাধ্যমকে বলেন,ব্যাটারি চালিত টমটমের নতুন লাইনে কাউকে আসতে হলে কমিটিকে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে,টাকা দিলেই আপনি রোড পারমিট পাবেন।১৫হাজার টাকা চাঁদা ছাড়া নতুন লাইনে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।বর্তমানে কমিটি পরিচালনা করছেন ড.মাসুদও মাছুম।১৫ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার পরে আপনি আপনার ব্যাটারি চালিত টমটম নতুন লাইনে ঢুকাতে পারবেন,টাকা দিলেই মিলছে অবৈধ টমটমের বৈধ রোড পারমিট।সল্টগোলা ক্রসিং এর মুখ থেকে টেকের মোড় এলাকায় এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম চলাচল করছে,বর্তমানে এই লাইনে ৬০থেকে ৬৫টি অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম রয়েছে,প্রতিটি গাড়ী থেকে চাঁদা বাবদ নেওয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা,এছাড়া মাসিক রয়েছে ৩০০ টাকা,এসব টাকা চলে যাচ্ছে মাসুদ ও মাছুমদের মত কিছু পাতি নেতাদের পকেটে,এইসব টাকা কোন সেবা মুলক কাজে ব্যবহার হচ্ছে না,আমাদের একটি গাড়ী এক্সিডেন্ট হলে সেক্ষেত্রে কমিটি কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না,প্রতিমাসে চাঁদার টাকা পরিশোধ করেই যাচ্ছি তবে কোন সেবা পাচ্ছি না বলে অভিযোগ করেন ব্যাটারি চালিত টমটমের চালকরা।

চাঁদাবাজির সংক্রান্ত
ব্যাপারে এলাকাবাসীরা বলেন,সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার এই রাস্তাটি ছোট হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে বেশি সমস্যার ভিতরে পড়তে হচ্ছে,এর ভিতরে অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম গুলো পুড়া রাস্তাটি দখল করে যানযট সৃষ্টি করেছে,এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম হাইকোর্ট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা দেওয়ার
পরে ও এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম চলছে এলাকার বড়ভাই বন্দর থানা পুলিশ,ট্রাফিক বিভাগের টি আই এর ইশরায়।তিনি আরো বলেন, মাসুদ ও মাছুম এর বিরুদ্ধে বিগত আগেও বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরে ও পুলিশ প্রশাসনের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে এরা।যেকোন মুহুর্তে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে,এসব দুর্ঘটনা এড়াতে অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম গুলো বন্ধ করে দেওয়া হলে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে সুবিধা হবে।অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম থেকে প্রতিমাসে ট্রাফিক বিভাগের সল্টগোলা ক্রসিং এর টি আই সুভাষকে ম্যানেজ করছেন বলে জানান।চাঁদার ব্যাপারে টমটম মাসুদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মাসুদ এর ছোট ভাই বলেন,আমার বড়ভাই নাই,আসলে আপনার কথা বলব বলে ফোনটি কেটে দেন।পরে নেতা মাছুম এর মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তাকে ও পাওয়া যায়নি।চাঁদাবাজির ব্যাপারে বিষয়ে সল্টগোলার টি আই সুভাষের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
চাঁদা সংক্রান্ত বিষয়ে বন্দর থানার ওসি সন্জয় কুমার সিংহ এর সাথে দেখা করে কথা বললে তিনি জাতীয় দৈনিক একুশে সংবাদকে বলেন,টমটমের লাইনের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই এটা ট্রাফিক বিভাগের কাজ এটা আমাদের কাজ না বলে জানান তিনি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু, আহত ৯ জন

চট্টগ্রামের সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় টাকায় মিলছে অবৈধ ব্যাটারী চালিত টমটমের রোড পারমিট।

সপ্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০২৩

চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন ৩৮নং ওয়ার্ড সল্টগোলা ক্রসিং গলি এলাকায় ১৫ হাজার টাকা দিলেই মিলছে অবৈধ ব্যাটারী চালিত টমটমের রোড পারমিট বলছি টমটমের মাসুদ ও মাছুমের কথা। চাঁদার বিষয়ে টমটমের কয়েকজন চালকের কাছে জানতে চাইলে সংবাদমাধ্যমকে বলেন,ব্যাটারি চালিত টমটমের নতুন লাইনে কাউকে আসতে হলে কমিটিকে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে,টাকা দিলেই আপনি রোড পারমিট পাবেন।১৫হাজার টাকা চাঁদা ছাড়া নতুন লাইনে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।বর্তমানে কমিটি পরিচালনা করছেন ড.মাসুদও মাছুম।১৫ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার পরে আপনি আপনার ব্যাটারি চালিত টমটম নতুন লাইনে ঢুকাতে পারবেন,টাকা দিলেই মিলছে অবৈধ টমটমের বৈধ রোড পারমিট।সল্টগোলা ক্রসিং এর মুখ থেকে টেকের মোড় এলাকায় এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম চলাচল করছে,বর্তমানে এই লাইনে ৬০থেকে ৬৫টি অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম রয়েছে,প্রতিটি গাড়ী থেকে চাঁদা বাবদ নেওয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা,এছাড়া মাসিক রয়েছে ৩০০ টাকা,এসব টাকা চলে যাচ্ছে মাসুদ ও মাছুমদের মত কিছু পাতি নেতাদের পকেটে,এইসব টাকা কোন সেবা মুলক কাজে ব্যবহার হচ্ছে না,আমাদের একটি গাড়ী এক্সিডেন্ট হলে সেক্ষেত্রে কমিটি কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না,প্রতিমাসে চাঁদার টাকা পরিশোধ করেই যাচ্ছি তবে কোন সেবা পাচ্ছি না বলে অভিযোগ করেন ব্যাটারি চালিত টমটমের চালকরা।

চাঁদাবাজির সংক্রান্ত
ব্যাপারে এলাকাবাসীরা বলেন,সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার এই রাস্তাটি ছোট হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে বেশি সমস্যার ভিতরে পড়তে হচ্ছে,এর ভিতরে অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম গুলো পুড়া রাস্তাটি দখল করে যানযট সৃষ্টি করেছে,এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম হাইকোর্ট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা দেওয়ার
পরে ও এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম চলছে এলাকার বড়ভাই বন্দর থানা পুলিশ,ট্রাফিক বিভাগের টি আই এর ইশরায়।তিনি আরো বলেন, মাসুদ ও মাছুম এর বিরুদ্ধে বিগত আগেও বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরে ও পুলিশ প্রশাসনের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে এরা।যেকোন মুহুর্তে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে,এসব দুর্ঘটনা এড়াতে অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম গুলো বন্ধ করে দেওয়া হলে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে সুবিধা হবে।অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম থেকে প্রতিমাসে ট্রাফিক বিভাগের সল্টগোলা ক্রসিং এর টি আই সুভাষকে ম্যানেজ করছেন বলে জানান।চাঁদার ব্যাপারে টমটম মাসুদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মাসুদ এর ছোট ভাই বলেন,আমার বড়ভাই নাই,আসলে আপনার কথা বলব বলে ফোনটি কেটে দেন।পরে নেতা মাছুম এর মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তাকে ও পাওয়া যায়নি।চাঁদাবাজির ব্যাপারে বিষয়ে সল্টগোলার টি আই সুভাষের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
চাঁদা সংক্রান্ত বিষয়ে বন্দর থানার ওসি সন্জয় কুমার সিংহ এর সাথে দেখা করে কথা বললে তিনি জাতীয় দৈনিক একুশে সংবাদকে বলেন,টমটমের লাইনের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই এটা ট্রাফিক বিভাগের কাজ এটা আমাদের কাজ না বলে জানান তিনি।