ঢাজা ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুবার্ষিকী আজ কাজী নজরুল ইসলামের : ৪৯তম 

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:০০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ২০১ শেয়ার

অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহ, মানবতার প্রেম ও সাম্যের অগ্নিশিখায় দীপ্ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (২৭ আগস্ট)।

১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) নিভে গিয়েছিল বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের এই মহাপ্রতিভার জীবনপ্রদীপ।

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেন কবি নজরুল। তার ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। শৈশব থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। মাত্র ২৩ বছরের সাহিত্যজীবনে নজরুল বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে রেখে গেছেন অনন্য সৃষ্টির ভাণ্ডার। তার কবিতা ও গান বাঙালির মনে জাগিয়েছে স্বাধীনতার চেতনা, মানবিক প্রেম ও সাম্যের স্বপ্ন। তিনি নিজেই লিখেছিলেন—‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।

স্বাধীন বাংলাদেশের পর শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা ও ধানমন্ডিতে সরকারি বাসভবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে তাঁকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি দেয়। ১৯৭৬ সালে নাগরিকত্ব এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান করা হয় কবিকে।

জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্মসূচি নিয়েছে। কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আয়োজন করেছে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা, হামদ-নাত ও দোয়া মাহফিল। বাংলা একাডেমি কবির কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীন সফরে গেছেন মির্জা ফখরুল

মৃত্যুবার্ষিকী আজ কাজী নজরুল ইসলামের : ৪৯তম 

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:০০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহ, মানবতার প্রেম ও সাম্যের অগ্নিশিখায় দীপ্ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (২৭ আগস্ট)।

১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) নিভে গিয়েছিল বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের এই মহাপ্রতিভার জীবনপ্রদীপ।

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেন কবি নজরুল। তার ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। শৈশব থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। মাত্র ২৩ বছরের সাহিত্যজীবনে নজরুল বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে রেখে গেছেন অনন্য সৃষ্টির ভাণ্ডার। তার কবিতা ও গান বাঙালির মনে জাগিয়েছে স্বাধীনতার চেতনা, মানবিক প্রেম ও সাম্যের স্বপ্ন। তিনি নিজেই লিখেছিলেন—‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।

স্বাধীন বাংলাদেশের পর শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা ও ধানমন্ডিতে সরকারি বাসভবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে তাঁকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি দেয়। ১৯৭৬ সালে নাগরিকত্ব এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান করা হয় কবিকে।

জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্মসূচি নিয়েছে। কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আয়োজন করেছে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা, হামদ-নাত ও দোয়া মাহফিল। বাংলা একাডেমি কবির কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।