ঢাজা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৮০ দিনের কর্মসূচিতে শিক্ষা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৩৩৩ শেয়ার

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভায় আজ প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: মন্ত্রণালয়

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাকে মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে এনে সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা এবং বাস্তব দক্ষতা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার গ্রহণ করা হবে।

সভায় জানানো হয়, দেশের জনসংখ্যাগত সুবিধাকে কাজে লাগাতে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মক্ষম যুব জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ, বহুমাধ্যমভিত্তিক শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় আরও জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায় থেকে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু এবং সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বেতার ইন্টারনেট সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করতে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান

১৮০ দিনের কর্মসূচিতে শিক্ষা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাকে মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে এনে সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা এবং বাস্তব দক্ষতা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার গ্রহণ করা হবে।

সভায় জানানো হয়, দেশের জনসংখ্যাগত সুবিধাকে কাজে লাগাতে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মক্ষম যুব জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ, বহুমাধ্যমভিত্তিক শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় আরও জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায় থেকে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু এবং সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বেতার ইন্টারনেট সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করতে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।