ঢাজা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউ মার্কেটে গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন

ছবি : সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন (৫২) নামে তালিকাভুক্ত এক শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টিটনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিকে প্রথমে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। নিহত টিটন ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম এবং রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টিটন দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পেলেও আইনি জটিলতায় মুক্তি পাননি। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি কারামুক্ত হন।

মুক্তির পর তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেননি। এর ফলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

টিটনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি ঢাকার রায়েরবাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিলেন।

এছাড়া তিনি আরেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক। ইমনের প্রভাবেই টিটনের অপরাধ জগতে উত্থান ঘটে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

নিউ মার্কেটে গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন (৫২) নামে তালিকাভুক্ত এক শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টিটনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিকে প্রথমে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। নিহত টিটন ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম এবং রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টিটন দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পেলেও আইনি জটিলতায় মুক্তি পাননি। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি কারামুক্ত হন।

মুক্তির পর তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেননি। এর ফলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

টিটনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি ঢাকার রায়েরবাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিলেন।

এছাড়া তিনি আরেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক। ইমনের প্রভাবেই টিটনের অপরাধ জগতে উত্থান ঘটে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।