ঢাজা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামলার জট কমাতে লিগ্যাল এইড আরও কার্যকর করার আহ্বান

ছবি : সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
দেশে প্রায় ৪০ লাখ মামলার জট কমাতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৪০ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই জট নিরসনে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়া মানুষের সহজাত ও শাশ্বত অধিকার এবং সরকার চায় এই সেবা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে।

লিগ্যাল এইডের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে প্রথম এ কর্মসূচির সূচনা হয়। সেই ধারণাকে আরও বিস্তৃত করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিচার বিভাগের বাজেট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের জন্য বরাদ্দ বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা, যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। তিনি জানান, বাজেট বৃদ্ধি নিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং লিগ্যাল এইড কার্যক্রম জোরদারে অতিরিক্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার বলে উল্লেখ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সিনিয়র আইনজীবীদের লিগ্যাল এইডের মামলা পরিচালনায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং প্রান্তিক পর্যায়ে এ সেবার প্রচার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হক স্বাগত বক্তব্য দেন।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন (এমপি), বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, আইনজীবী ও লিগ্যাল এইড কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

মামলার জট কমাতে লিগ্যাল এইড আরও কার্যকর করার আহ্বান

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
দেশে প্রায় ৪০ লাখ মামলার জট কমাতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৪০ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই জট নিরসনে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়া মানুষের সহজাত ও শাশ্বত অধিকার এবং সরকার চায় এই সেবা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে।

লিগ্যাল এইডের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে প্রথম এ কর্মসূচির সূচনা হয়। সেই ধারণাকে আরও বিস্তৃত করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিচার বিভাগের বাজেট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের জন্য বরাদ্দ বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা, যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। তিনি জানান, বাজেট বৃদ্ধি নিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং লিগ্যাল এইড কার্যক্রম জোরদারে অতিরিক্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার বলে উল্লেখ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সিনিয়র আইনজীবীদের লিগ্যাল এইডের মামলা পরিচালনায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং প্রান্তিক পর্যায়ে এ সেবার প্রচার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হক স্বাগত বক্তব্য দেন।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন (এমপি), বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, আইনজীবী ও লিগ্যাল এইড কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।