ঢাজা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেল-জরিমানার বিধান রেখে হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন পাস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৪ শেয়ার

জাতীয় সংসদে আজ পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ বিলটি উত্থাপন করেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

জেল-জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ পাস হয়েছে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সেচব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণ নিশ্চিত করাই এ আইনের লক্ষ্য।

তিনি জানান, ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১৬ সালে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর গঠন করা হয়।

তবে অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদীপথে প্রতিবন্ধকতা, বিষ ও কীটনাশকের অপব্যবহার এবং পর্যটনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় এ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষায় দ্রুত আইন প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছিল।

আইন অনুযায়ী, বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।

পরে স্পিকার বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে সংসদে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপিকে কখনো জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হয়নি: সংসদে সরকারি দলের বক্তব্য

জেল-জরিমানার বিধান রেখে হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন পাস

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

জেল-জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ পাস হয়েছে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সেচব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণ নিশ্চিত করাই এ আইনের লক্ষ্য।

তিনি জানান, ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১৬ সালে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর গঠন করা হয়।

তবে অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদীপথে প্রতিবন্ধকতা, বিষ ও কীটনাশকের অপব্যবহার এবং পর্যটনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় এ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষায় দ্রুত আইন প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছিল।

আইন অনুযায়ী, বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।

পরে স্পিকার বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে সংসদে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।