• শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৬ জন করোনা আক্রান্ত বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক সহযোগিতা জোরদার করবে : পরিবেশ মন্ত্রী তিস্তা পাড়ে অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন বিজিবি মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত হয়েছে : চীনা গণমাধ্যম ছাগলনাইয়া বাল্য বিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা বিজয় স্মরণী কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্রের পরিবর্তে ২ য় পত্রের প্রশ্ন বিলি, প্রায় ৪০০ জন পরিক্ষার্থীর চরম দূর্ভোগ।  যুগপতের শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে বিএনপি নতুন কর্মসূচি দিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বেলতলী এলাকায় দুর্ঘটনায় কোটা কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গুলি বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবস্থা নিন

দেশ না থাকলে কিছুই থাকে না

অনলাইন ডেক্স / ৪০১ Time View
Update : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মাত্রই কয়েক দিন আগে ঢাকায় ছিলাম, এখন ওয়াশিংটনে। পৃথিবীর অন্য প্রান্ত এখন আর দূর আকাশের তারা নয়, বিশ্ব এখন বিশ্বগ্রাম হয়ে গেছে। কিন্তু এই বিশ্বগ্রাম সদা টলায়মান। অশান্ত, অস্থির। ভাবতে দুঃখ লাগে—আমরা কি এই বিশ্ব চেয়েছিলাম?

সেদিন এক উবারের ড্রাইভারের সঙ্গে যেতে যেতে গল্প করছিলাম। সে জর্ডান থেকে এসেছে। ৩১ বছরের প্রাণবন্ত তরুণ। কথা বলতে বলতে ছেলেটি তার ক্ষোভ উগরে দিল। আমি অবাক হয়ে লক্ষ করলাম, ওর ক্ষোভের সঙ্গে আমার ক্ষোভ মিলে গেল। টেক্সাসের এক সাদা চামড়ার ক্লায়েন্ট তাকে একদিন বলল, ‘ইউ মাস্ট বি আ ক্রিশ্চান। ভেরি গুড, ম্যান।’ ঐ ড্রাইভার জানাল, ‘আই টোল্ড হিম, বিফোর আই অ্যাম ক্রিশ্চান, আই হ্যাভ টু বি আ জিউ। অ্যান্ড টু বি আ ক্রিশ্চান, আই হ্যাভ টু বি আ জিউ। অ্যান্ড টু বি আ মুসলিম, আই হ্যাভ টু বি আ ক্রিশ্চান। বাট ফার্স্ট আই অ্যাম আ হিউম্যান বিইং।’

এই বিশ্ব এগিয়ে চলেছে আর আমরা পিছিয়ে চলেছি! আমরা এখন আর কেউ মানুষ নই, সবার আগে আমরা ধার্মিক। আমাদের ধর্ম, গায়ের রং, আমাদের জন্মস্থান এবং আমাদের অর্থবিত্ত সবচাইতে বড় পরিচয়। সেসব পরিচয়ের জটিল অঙ্ক শেষে আমরা জানতে পারব—আমরা মানুষ হতে পারলাম কি না। সেই ১৯৬৩ সালে কালো বর্ণের মার্টিন লুথার কিং অদ্ভুত এক আশা-জাগানিয়া কথা বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম।’ লুথার কিংয়ের মতো যারা মনে করেন ‘সবার ওপরে মানুষ সত্য’—তাদের সবারই একটা করে স্বপ্ন আছে। আমারও তো একটা স্বপ্ন আছে। নাকি ছিল? এখন আর নেই! জানি না। এটাও জানি না, এখনই এতটা হতাশাবাদী হওয়া উচিত কি না।

দের সমাজ নাকি শ্রেণিসংগ্রামের মাধ্যমেই বিবর্তিত হয়েছে। সেই ধারা আজও প্রবহমান। আমরা মার্কস ও অ্যাঙ্গেলসের ঐতিহাসিক বস্তুবাদ থেকে জেনেছি—আদিম সাম্যবাদী সমাজ ব্যতীত আজ পর্যন্ত যত সমাজ উদ্ভূত হয়েছে তাদের সকলের ইতিহাস হলো শ্রেণিসংগ্রামের ইতিহাস। এই শ্রেণিসংগ্রামের অস্থির সময় আমরা প্রত্যক্ষ করেছি নকশাল আন্দোলনে। কেন শুরু হয়েছিল নকশাল আন্দোলন? সেই শ্রেণিসংগ্রাম কি ফুরিয়ে গেছে? একটি উদাহরণ থেকে বোঝা যায় নকশাল আন্দোলনের বিবর্তন। যেমন ফিল্মস্টার মিঠুন চক্রবর্তী প্রথম জীবনে নকশাল আন্দোলন করতেন, তারপর তিনি বাম দলে এলেন, তারপর যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। সর্বশেষ ২০২১-এ এসে তাকে আমরা বিজেপিতে আশ্রয় নিতে দেখলাম। কেন এটা করে মানুষ? অনেকে বলেন, মানুষ এটা করে বাঁচার জন্য। পরিস্থিতি বহু ক্ষেত্রে মানুষকে এমন জায়গায় নিয়ে যায় যে, মানুষ তার আদর্শটাকে বিসর্জন দিতে দেরি করে না।

এ মুহূর্তে ‘টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হলো আফগানিস্তান। মহাভারত গ্রন্থে আফগানিস্তানের প্রসঙ্গ আছে। প্রাচীন ভারতে দুর্যোধনের মামাবাড়ি ছিল বর্তমান আফগানিস্তান। দুর্যোধনের মা গান্ধারী ছিলেন গান্ধার রাজ্যের রাজকন্যা। গান্ধার হলো বর্তমান আফগানিস্তানের একটি অংশ, যার বর্তমান নাম কান্দাহার। সেই দুর্যোধন যখন মহাভারতে অনেক রক্তক্ষয়ের পর জয়ের মুখোমুখি হলেন তখন তার বাবা ধৃতরাষ্ট্র তাকে শ্লেষ করে বলেছেন, ‘এখন কি তুমি সুখী হয়েছ?’ তখন দুর্যোধন দম্ভ করে বললেন, ‘সুখ চাহি নাই মহারাজ!/ জয়, জয় চেয়েছিনু, জয়ী আমি আজ।’ এই দৃশ্যকল্প দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘গান্ধারীর আবেদন’ নাট্য-কবিতায়।

নেতাজি সুভাষ বসু, নেহরু, আবুল কালাম আজাদ, বঙ্গবন্ধুর মতো নেতাদের দেখে এবং তাদের জীবনকথা পড়ে বড় হয়েছি। তাদের কাছে রাজনীতির মানে অন্যরকম ছিল। আজ আমাদের ছেলেমেয়েরা তাদের সামনে কাদের দেখছে? আজ পশ্চিমবঙ্গে দিকে তাকালে ভয় লাগে, দিল্লির দিকে তাকালে আশঙ্কা জাগে। আরেকটু পশ্চিমে আফগানিস্তানে যেই পতনকাল শুরু হয়েছে—তা যেন আমাদের আরো গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বাংলাদেশে ধর্ম, ভারতে ধর্ম, পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ধর্ম। চারদিকে এক ভয়-জাগানিয়া এক নিকষ অন্ধকারের সূচনা দেখা যাচ্ছে। এখন মানবতা নিয়ে কথা বলতে ভয় লাগে। নারীবাদ নিয়ে কথা বলতে বড় আশঙ্কা জাগে মনে।মানুষ মাত্রই নাকি রাজনৈতিক। কথাটি অ্যারিস্টটল বলেছিলেন আজ থেকে প্রায় সোয়া দুই হাজার বছর আগে। তখন মানুষ চাইলে নিজের মতো করে স্বকীয়তা নিয়ে জীবনাচরণ করলেও করতে পারত। কিন্তু এখন? এখন আমরা আর মানুষ নই, আমরা এখন মুসলিম, খ্রিষ্টান, ইহুদি, বৌদ্ধ, শিখ কিংবা হিন্দু। আমরা এখন সাদা, কালো, বাদামি। আমরা এখন বিত্তবান কিংবা বিত্তহীন। আশরাফ বা আতরাফ। অর্থাৎ একবিংশকে শতকে আমরা এখন শতভাগ রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত। সুতরাং কোনো দেশের সরকার যদি কল্যাণকর না হয়, তখন তার বিপদ শুধু সেই দেশের জনগণের নয়, সারা বিশ্বের। এর প্রমাণ মিয়ানমার, আফগানিস্তানসহ আরো অনেক দেশ। ‘পলিটিকস’ গ্রন্থে অ্যারিস্টটল যেমন লিখেছেন—‘সরকার তখনই ভালো সরকার, যখন তার লক্ষ্য হয় সমগ্র জনগোষ্ঠীর মঙ্গলসাধন। আর খারাপ সরকার হলো সেই সরকার, যে শুধু নিজের স্বার্থের কথা ভাবে।’ রেঙ্গুন বা কাবুলের ক্ষমতাসীনদের নিজেদের স্বার্থের কথা ভাবাটাই শেষ কথা। গাণিতিক বিজ্ঞানে ‘বাটারফ্লাই এফেক্ট’ বলে একটি কথা আছে, যার অর্থ হলো—কোনো ছোট ঘটনার ভেতরেও খুব বড় কোনো ঘটনার প্রভাব লুকিয়ে থাকে। আফগানিস্তানের তালেবানের উত্থান সেই ‘বাটারফ্লাই এফেক্ট’-এর চেয়েও অনেক বড় ঘটনা। এর প্রভাব সারা বিশ্বে অনেক দিন ধরে বিরাজ করবে নিঃসন্দেহে।

ভালো রাজনীতিকরা একটি দেশকে কোথায় নিতে পারে আর ব্যর্থ বা মতলববাজ রাজনীতিকরা আমাদের জন্য কতটা ক্ষতিকর, তার অসংখ্য উদাহরণ আমরা বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় পাতায় দেখতে পাই। অনেক সময় কিছু রাজনীতিকের মধ্যে আমরা দারুণ সম্ভাবনা দেখতে পাই। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের কিছু কর্মকাণ্ড আমাদের হতাশ করে। কিছু উদাহরণ দেওয়া যায়। যেমন ভারতের ৪৫ বছর বয়সী নারী রাজনীতিক মহুয়া মৈত্র। দারুণ স্মার্ট। খুব ভালো ডিবেট করেন। পশ্চিমা উন্নত দেশে পড়ালেখা, বড় ব্যাংকার ছিলেন। তাকে রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী।

প্রথম দিকে আমি মুগ্ধ হয়ে ভাবছিলাম—ভারত খুব ভালো একজন লিডার পেল। রাহুল গান্ধী তাকে কংগ্রেসে চাইলেন, তারপর মহুয়া যখন দেখলেন রাহুলের কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে সুবিধা করতে পারবে না, তখন তিনি মমতার তৃণমূল কংগ্রেসে চলে গেলেন। তারপর অবশ্য তিনি কিছু অসাধারণ বক্তৃতা দিলেন ভারতের সংসদে। কিন্তু তারপর কিছু বিতর্কেও জড়ালেন। অনেকেই মনে করছেন, তিনিও নিজেকে সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদদের দলে ফেলে দিয়েছেন। প্রসঙ্গক্রমে পাকিস্তানের ইমরান খানের কথাও বলা যায়। একজন আমুদে জীবনে অভ্যস্ত খেলোয়াড়, তিনি তার মায়ের ক্যানসারের মৃত্যুর পর ক্যানসার হাসপাতাল করার জন্য ছোটাছুটি করলেন। খুব ভালো কথা। তারপর তিনি বিয়ে করলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথকে, যার বাবা স্যার জেমস গোল্ডস্মিথ ইংল্যান্ডের টাইকুন। এরপর ইমরান রাজনীতিতে নাম লেখালেন। শুরু হলো ভোলবদল। জেমিমাকে ডিভোর্স দিয়ে এক বোরকা পরিহিতাকে বিয়ে করলেন রাজনীতির জন্য। যে লোক খ্রিষ্টানকে বিয়ে করেছিলেন, সেখানে তাদের বাচ্চা হলো—তারা এখন কোথায় গেল? আর ইমরান খান এখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী! হ্যাঁ, পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর সমর্থন ছাড়া কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারে না। সেনাবাহিনী তো এদের ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করল, কিন্তু মানুষের সেবায় তো কেউ এলেন না!

আমরা ছোটবেলায় যেই রাজনীতি দেখেছিলাম সেই রাজনীতির মূল কথা ছিল মানুষের সেবা। এখন কোথায় গেল সেই রাজনীতি? এখন মানুষ আর জনসেবক হওয়ার জন্য রাজনীতি করে না, নিজের সেবা করার জন্যই তাদের যত আকুলতা। বাঙালিরা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ছিল, বাঙালিরাই শ্রেণিসংগ্রামের জন্য নকশাল আন্দোলন করেছিল, আবার বাঙালিরাই নতুন একটি দেশের জন্য একাত্তরে একসাগর রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। সাধারণ মানুষই তো একাত্তরে যুদ্ধ করেছিল। গ্রামের ঘরে ঘরে প্রতিটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংগ্রামে যুক্ত হয়েছিল। সে সময় সকলের ‘পিপলস ভয়েজ’ ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মানুষের শক্তি নিয়ে যিনি সর্বশেষ আমাদের মধ্যে ফিরে এলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। মানুষের কল্যাণের জন্যই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হলেন। গত এক যুগে শেখ হাসিনা আমাদের উন্নয়নের জন্য অভাবনীয় কাজ করছেন। আমাদের রিজার্ভ উপচে পড়ছে গার্মেন্টস ও প্রবাসী কোটি শ্রমিকের রেমিট্যান্সে। এটাই আমাদের অর্থনীতির বড় শক্তি। এর সঙ্গে দেশের মধ্যে যারা কৃষি-মৎস্য খামার করছেন, যারা উৎপাদকের ভূমিকায় রয়েছেন, তারা এবং কোভিডের মধ্যে যেই ১০ লাখ নারী উদ্যোক্তা তৈরি হলো—এরা সবাই মিলে দেশের অর্থনীতির শিড়দাঁড়াকে সোজা রেখেছেন। এমনকি একজন রিকশাওয়ালা কিংবা যিনি হকারি করে সংসার চালান, তারাও আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।

আমরা এত উন্নয়ন করতে পারছি এসব মানুষের কষ্টার্জিত অর্থের মাধ্যমেই। কিন্তু আমরা যদি শুধু উন্নয়নের দিকে নজর দিই এবং সুশাসনকে দুয়োরানি মনে করে ঝেঁটিয়ে বিদায় করি, তাহলে আমাদের কী পরিণতি হতে পারে—তার উদাহরণ আমাদের দেশেই আছে। পাকিস্তান আমলে সামরিক শাসক আইয়ুব খানের ১০ বছরের শাসনকে বলা হতো ডিকেড অব ডেভেলপমেন্ট (উন্নয়নের দশক)। তিনি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে দেশের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ঘটিয়েছিলেন। কিন্তু তার সেই উন্নয়ন টেকেনি। এর মূল কারণ ছিল সুশাসনের অভাব। উন্নয়নকে স্থায়িত্ব দেয় সুশাসন। এজন্য সুশাসন ছাড়া উন্নয়নকে বলা হয় মরুভূমির মরীচিকা। আমরা মরূদ্যান চাই, মরীচিকা চাই না। মনে রাখতে হবে, আইয়ুব খানের পতন ঠেকানো যায়নি। তাকে চলে যেতে হলো, বলা যায় এরপর পাকিস্তানই ভেঙে গেল। বঙ্গবন্ধু এলেন জনগণের নেতা হয়ে। অথচ সেই বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তান মারল না, আমরা বাঙালিরা মারলাম! এখন বাঙালিরাই বাঙালিদের টেনে নামাচ্ছে।

আমি আফগানিস্তানের একের পর এক খবরের দিকে তাকাই আর ভাবি—সারা জীবনের সবকিছু ফেলে মানুষেরা কীভাবে পাগলের মতো পালাতে চাইছে! কী ভয়ংকর! আফগানিস্তান আমাদের এই শিক্ষা দিল যে, ঘরবাড়ি, সহায়-সম্পদ কোনো কিছুই আমাদের থাকে না, যদি দেশটা আমাদের না থাকে। সুতরাং আমাদের দেশটা যেন অকল্যাণকর কোনো গোষ্ঠীর দখলে কখনো চলে না যায়। দুর্যোধনের কথার বিপরীতে বলতে হয়—জয়ের কী মূল্য আছে যদি সুখই না থাকে!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা