ঢাজা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জে প্রাচীর ভাংচুর ও হত্যার হুমকি

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হুমকি ও প্রাচীর ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নে নয়াপাড়া গ্রামের মৃত-মজিদুল হকের ছেলে মো.হাবিবুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের মৃত-তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আল-আমিন গংদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।

গত ১০ জুন সকাল ১০ ঘটিকার সময় পূর্ব শক্রতার জেরে আল-আমিন একদল সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজনসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হাবিবুলের ভোগদখলীয় জমিতে হামলা চালিয়ে প্রাচীর ভাংচুর করে। এতে বাধাঁ দিলে আল আমিন সহ তার বাহিনী হাবিবুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজনকে জমি বেদখল এবং মারপিটসহ হত্যা করার হুমকি দেয়।

ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক হাবিবুল ইসলাম জানান, দরবস্ত মৌজার জে,এল নং-১৪৬, সি.এস খতিয়ান নং-৯০, এস.এ খতিয়ান নং-৮৩, বি.আর.এস খতিয়ান নং-৫২০, সাবেক দাগ নং-৮৫৯, হাল দাগ নং-১৭৪৭ এর ৯ শতক দখলীয় জমি ২০০৩ সালে ১০৫৫১ নম্বর কবলা দলিল মুলে আবু জোবায়েরর নিকট থেকে ৪.৫০ শতক ও ১৯৯৯ সালে ১০৯২৮ নম্বর কবলা দলিল মুলে জাফুরুল ইসলামের নিকট থেকে ৪.৫০ শতক জমি ক্রয় করিয়া ওই জমিতে প্রাচীর, বাড়ী ঘর নির্মান এবং বিভিন্ন জাতের গাছ পালা লাগিয়েছে।

হাবিবুল ইসলাম নিরুপায় হয়ে জমি নিজ দখলে রাখতে আল আমিন সহ ৭ জনকে বিবাদি করে গত ১৯ জুন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট আদালত, গাইবান্ধায় ৩৭২/২২ নং একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে নালিশী জমিতে শান্তি, শৃঙ্খলা বজায় ও জমির দখল বিষয়ে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক গত ২১ জুন গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইজার উদ্দিন থানার এ.এস আই আসাদুল ইসলামের মাধ্যমে ফৌঃ কাঃ বিঃ ধারা-১৪৪/১৪৫, স্মারক নং-৮০০/২২ এর আলোকে উভয় পক্ষকে উক্ত জমিতে শান্তি, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করেছেন।

 

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চীন সফরে গেছেন মির্জা ফখরুল

গোবিন্দগঞ্জে প্রাচীর ভাংচুর ও হত্যার হুমকি

সপ্রকাশিত হয়েছে: ১১:১৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হুমকি ও প্রাচীর ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নে নয়াপাড়া গ্রামের মৃত-মজিদুল হকের ছেলে মো.হাবিবুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের মৃত-তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আল-আমিন গংদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।

গত ১০ জুন সকাল ১০ ঘটিকার সময় পূর্ব শক্রতার জেরে আল-আমিন একদল সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজনসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হাবিবুলের ভোগদখলীয় জমিতে হামলা চালিয়ে প্রাচীর ভাংচুর করে। এতে বাধাঁ দিলে আল আমিন সহ তার বাহিনী হাবিবুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজনকে জমি বেদখল এবং মারপিটসহ হত্যা করার হুমকি দেয়।

ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক হাবিবুল ইসলাম জানান, দরবস্ত মৌজার জে,এল নং-১৪৬, সি.এস খতিয়ান নং-৯০, এস.এ খতিয়ান নং-৮৩, বি.আর.এস খতিয়ান নং-৫২০, সাবেক দাগ নং-৮৫৯, হাল দাগ নং-১৭৪৭ এর ৯ শতক দখলীয় জমি ২০০৩ সালে ১০৫৫১ নম্বর কবলা দলিল মুলে আবু জোবায়েরর নিকট থেকে ৪.৫০ শতক ও ১৯৯৯ সালে ১০৯২৮ নম্বর কবলা দলিল মুলে জাফুরুল ইসলামের নিকট থেকে ৪.৫০ শতক জমি ক্রয় করিয়া ওই জমিতে প্রাচীর, বাড়ী ঘর নির্মান এবং বিভিন্ন জাতের গাছ পালা লাগিয়েছে।

হাবিবুল ইসলাম নিরুপায় হয়ে জমি নিজ দখলে রাখতে আল আমিন সহ ৭ জনকে বিবাদি করে গত ১৯ জুন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট আদালত, গাইবান্ধায় ৩৭২/২২ নং একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে নালিশী জমিতে শান্তি, শৃঙ্খলা বজায় ও জমির দখল বিষয়ে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক গত ২১ জুন গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইজার উদ্দিন থানার এ.এস আই আসাদুল ইসলামের মাধ্যমে ফৌঃ কাঃ বিঃ ধারা-১৪৪/১৪৫, স্মারক নং-৮০০/২২ এর আলোকে উভয় পক্ষকে উক্ত জমিতে শান্তি, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করেছেন।