ঢাজা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাস্তা ভাঙ্গা বাজিতপুরের সিংহভাগ মানুষের চলা ফেরা ; ভাগলপুর রেল স্টেশনের

 

ভাগলপুর স্টেশনের (বাজিতপুর স্টেশন) পিছনে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ গজ দৈর্ঘ্যের রাস্তা গত এক যুগ ধরে রহস্যজনকভাবে ভাঙা!

বাজিতপুর বাজার থেকে পুরো রাস্তা থেকনাবিহীন পার হয়ে মাত্র কয়েক গজ রাস্তা পার হতেই কোমর ভাঙে। বাজিতপুর স্টেশনের পিছনের এই ছোট্ট রাস্তাটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে মেরামত হয় না- এর অন্তর্নিহিত কারণটা কী!

বাজিতপুরের অফিসারবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, ভাগলপুরের স্কুল, কলেজ, হাসপাতালের সব ভিআইপি স্টেশনের এই রাস্তা দিয়ে অতি কষ্টে নিত্যদিন চলাচল করলেও কেন মেরামত হয় না- আমার বোধগম্য নয়!

আমাদের এলাকায় একটি প্রবাদ আছে-
‘সারা ঘর লেইপ্যা পিরার মধ্যে কাদা।’

বাজিতপুরবাসীর জন্য এই কয়েক গজ রাস্তাটিও ওই প্রবাদ বাক্যটির মতই মানিয়েছে। বাজিতপুরের সব রাস্তা সুন্দর থাকলেও পিরাতে এসে কেন এমন বেহাল দশা! এত থেকনা খাইতে খাইতেও বাজিতপুরের রতি-মহারতিদের কেন রাস্তাটি মেরামত করার হুশ হলো না?

দুর্ভাগা রাস্তাটির মালিক বাজিতপুর পৌরসভা। পৌরসভার কোটি কোটি টাকার কাজ হলেও ঘরের পিরার মত জায়গার রাস্তাটির মেরামত করলো না। খাইতে খাইতে লুটেরা মেয়র-কাউন্সিলাররা পালালো! এখন মেয়রহীন পৌরসভার প্রশাসক-বাজিতপুরের যোগ্যতম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাসিদ বিন এনাম। অনেকগুলো দ্বায়িত্ব তাঁর কাঁধে। তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে বাজিতপুরবাসীর সবদিক সামাল দিয়ে যাচ্ছেন। এবং আমাদের চিত্তও সন্তোষ্ট।
এবার শেষ আশ্রয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের উপরই নিলাম।

সুযোগ্য পৌর প্রশাসক ও ইউএনও মহোদয়,
আপনাকে সবিনয় অনুরোধ করছি- আপনি রাস্তাটি পরিদর্শন করুন। স্টেশনে চলাচলকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ দেখে আশা করি মেরামত করতে আপনিও অস্থির হয়ে যাবেন। এত লুটের মাঝে মাত্র ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা রাস্তাটির মেরামতে লাগতে পারে। সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যেই রাস্তাটি মেরামত করে বাজিতপুরবাসীকে উপহার দিতে পারেন। এবং বিশ্বাস করি আপনার দ্বারা সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রাঞ্চলে নতুন গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হবে

রাস্তা ভাঙ্গা বাজিতপুরের সিংহভাগ মানুষের চলা ফেরা ; ভাগলপুর রেল স্টেশনের

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

ভাগলপুর স্টেশনের (বাজিতপুর স্টেশন) পিছনে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ গজ দৈর্ঘ্যের রাস্তা গত এক যুগ ধরে রহস্যজনকভাবে ভাঙা!

বাজিতপুর বাজার থেকে পুরো রাস্তা থেকনাবিহীন পার হয়ে মাত্র কয়েক গজ রাস্তা পার হতেই কোমর ভাঙে। বাজিতপুর স্টেশনের পিছনের এই ছোট্ট রাস্তাটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে মেরামত হয় না- এর অন্তর্নিহিত কারণটা কী!

বাজিতপুরের অফিসারবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, ভাগলপুরের স্কুল, কলেজ, হাসপাতালের সব ভিআইপি স্টেশনের এই রাস্তা দিয়ে অতি কষ্টে নিত্যদিন চলাচল করলেও কেন মেরামত হয় না- আমার বোধগম্য নয়!

আমাদের এলাকায় একটি প্রবাদ আছে-
‘সারা ঘর লেইপ্যা পিরার মধ্যে কাদা।’

বাজিতপুরবাসীর জন্য এই কয়েক গজ রাস্তাটিও ওই প্রবাদ বাক্যটির মতই মানিয়েছে। বাজিতপুরের সব রাস্তা সুন্দর থাকলেও পিরাতে এসে কেন এমন বেহাল দশা! এত থেকনা খাইতে খাইতেও বাজিতপুরের রতি-মহারতিদের কেন রাস্তাটি মেরামত করার হুশ হলো না?

দুর্ভাগা রাস্তাটির মালিক বাজিতপুর পৌরসভা। পৌরসভার কোটি কোটি টাকার কাজ হলেও ঘরের পিরার মত জায়গার রাস্তাটির মেরামত করলো না। খাইতে খাইতে লুটেরা মেয়র-কাউন্সিলাররা পালালো! এখন মেয়রহীন পৌরসভার প্রশাসক-বাজিতপুরের যোগ্যতম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাসিদ বিন এনাম। অনেকগুলো দ্বায়িত্ব তাঁর কাঁধে। তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে বাজিতপুরবাসীর সবদিক সামাল দিয়ে যাচ্ছেন। এবং আমাদের চিত্তও সন্তোষ্ট।
এবার শেষ আশ্রয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের উপরই নিলাম।

সুযোগ্য পৌর প্রশাসক ও ইউএনও মহোদয়,
আপনাকে সবিনয় অনুরোধ করছি- আপনি রাস্তাটি পরিদর্শন করুন। স্টেশনে চলাচলকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ দেখে আশা করি মেরামত করতে আপনিও অস্থির হয়ে যাবেন। এত লুটের মাঝে মাত্র ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা রাস্তাটির মেরামতে লাগতে পারে। সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যেই রাস্তাটি মেরামত করে বাজিতপুরবাসীকে উপহার দিতে পারেন। এবং বিশ্বাস করি আপনার দ্বারা সম্ভব।