ঢাজা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজিতপুর-মধ্য ভাগলপুর সড়কের বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌরশহরের সিনেমা হল মোড় থেকে মধ্য ভাগলপুর পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে দিন দিন রাস্তাটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ছে।

জানা গেছে, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কুলিয়ারচর, নিকলীভৈরবসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যাত্রীরা মূলত সিএনজি, অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনে চলাচল করে থাকেন। তবে রাস্তায় বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং যাতায়াতে সময়ও বেশি লাগছে।

স্থানীয় পরিবহন চালকরা জানান, রাস্তাটির কারণে যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে এবং যাত্রী পরিবহনেও ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা প্রকৌশলী বনি আমিন জানান, সড়কটির সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা হোক।

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যায়ে বিনামূল্যে LSD টিকা প্রদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

বাজিতপুর-মধ্য ভাগলপুর সড়কের বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌরশহরের সিনেমা হল মোড় থেকে মধ্য ভাগলপুর পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে দিন দিন রাস্তাটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ছে।

জানা গেছে, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কুলিয়ারচর, নিকলীভৈরবসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যাত্রীরা মূলত সিএনজি, অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনে চলাচল করে থাকেন। তবে রাস্তায় বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং যাতায়াতে সময়ও বেশি লাগছে।

স্থানীয় পরিবহন চালকরা জানান, রাস্তাটির কারণে যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে এবং যাত্রী পরিবহনেও ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা প্রকৌশলী বনি আমিন জানান, সড়কটির সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা হোক।