চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানার ৪০ নং ওয়ার্ডস্থ কন্ট্রোল মোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে প্রবাসী সাত্তারের স্ত্রী কাউছার আক্তার ও তার দুই সন্তান কে জায়গা সম্পত্তি নিয়ে মৃত ইব্রাহিমের দুই ছেলে মোঃ সোহেল ও রুবেল প্রবাসী সাত্তারের স্ত্রী কাউছার আক্তার কে মারধর ও অপহরণ করতে ডাকাত পাঠান।
এবিষয়ে থানা ও কোর্টে একাধিক মামলা করার পরেও আইনগত সহযোগিতা পেলেন না প্রবাসীর স্ত্রী কাউছার আক্তার।
গত ২৯ জুন সোমবার বিকেলে এসব তথ্য জানতে জানান ভুক্তভোগী কাউছার আক্তার।
এবিষয়ে প্রবাসীর স্ত্রী কাউছার আক্তার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জায়গাতে আমি কাজ করতে গেলে মৃত ইব্রাহিমের দুই ছেলে আমার কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে। এবং আমাকে মারধর ও আমার দুই সন্তান কে অপহরণ করার জন্য আমার বাসায় ডাকাত পাঠিয়েছে মৃত ইব্রাহিমের দুই ছেলে মোঃ রুবেল ও সোহেল নামে দুই ব্যক্তি।
বর্তমানে দুটি সন্তান কে নিয়ে আমি অনিরাপত্তায় ভুগছি। যেকোন সময় আমার ছেলে মেয়ে কে অপহরণ করতে পারে মৃত ইব্রাহিমের ছেলে রুবেল ও সোহেল বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জিডির বিষয়ে পতেঙ্গা থানার এস আই জিল্লুর রহমান তদন্ত করতে আসলে। তদন্তকারী অফিসার কে অখ্যাত ভাষায় গালিগালাজ করেন সোহেল ও রুবেল।
অপহরণের বিষয়ে মৃত ইব্রাহিমের বড় ছেলে রুবেলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদমাধ্যম কে বাসায় যাইতে বলেন,বাসায় যাওয়ার পর সংবাদকর্মী কে বক্তব্য দিতে ইচ্ছুক না একপর্যায়ে সংবাদমাধ্যম কে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন মৃত ইব্রাহিমের ছোট ছেলে মোঃ সোহেল ও শেখ আহম্মেদ।
এবিষয়ে পতেঙ্গা থানার এস আই জিল্লুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি খবর টুয়েন্টি ফোর কে বলেন,
তথ্য সূত্রে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামিলীগের মাঠ কর্মী হিসাবে কাজ করতেন ইব্রাহিমের বড় ছেলে রুবেল কাস্টমসে চাকরী করেন এবং ছোট ছেলে সোহেল তিনি চাকরী করেন যমুনাতে।
সরকারি চাকরীর ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে এসব অপকর্ম করছে মৃত ইব্রাহিমের দুই ছেলে।