আলোচনায় উঠে আসছে, ভবিষ্যতে আধুনিক উচ্চগতির রেল সংযোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে। একই সঙ্গে পর্যটন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, চিকিৎসা এবং আঞ্চলিক সংযোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলছেন অনেকে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ-চীন স্থল যোগাযোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে পণ্য পরিবহন, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থায়ন এবং নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতা প্রয়োজন হবে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে মিয়ানমারের ভেতর দিয়ে ৪৫০ কিলোমিটার গতির বুলেট ট্রেন চালু কিংবা ৫–৬ ঘণ্টায় বাংলাদেশ থেকে চীনে পৌঁছানোর বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বৃহৎ আন্তঃদেশীয় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পের সম্ভাবনা, সময়সীমা ও বাস্তবায়ন নিয়ে নিশ্চিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করা প্রয়োজন।