• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

কর্তৃপক্ষ ৬৪ জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন্ট’ কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক. / ২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জনসেবার মান বাড়াতে বড় ধরনের প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশের ৬৪ জেলার সব সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ সেবাকেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক খোন্দকার রফিকুল ইসলাম আজ বাসস’কে বলেন, ‘এই উদ্যোগ পুলিশ বাহিনীকে আধুনিকায়ন এবং জেলার গুরুত্বপূর্ণ থানাগুলোকে জবাবদিহি ও জনগণের আস্থার মডেল হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ শূন্যে নামিয়ে আনাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রতিফলন ঘটেছে।

বাসসের সঙ্গে আলাপকালে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক গাজী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সর্বোচ্চ দক্ষতার সঙ্গে নাগরিকদের উন্নতমানের সেবা দেওয়া এবং কোনো ধরনের অভিযোগের সুযোগ না রাখাই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য।’

প্রশাসনিক কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, এ লক্ষ্য অর্জনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের সঙ্গে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের যথাযথ আচরণ নিশ্চিত করা।

সেবার মান বজায় রাখতে জেলা পর্যায়ের সেরা কর্মকর্তাদের এসব সদর থানায় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে সেবার মান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

প্রক্রিয়া সহজ করতে এবং থানায় সরাসরি অভিযোগের প্রয়োজন কমাতে অনলাইন জিডি (ই-জিডি) সেবা ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

এসব থানা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতে বিশেষ দল কাজ করছে। ‘জিরো কমপ্লেইন্ট’ অবস্থান বজায় আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত পর্যালোচনা ও পরিদর্শন করছেন।

উদ্যোগের অংশ হিসেবে সদর থানায় সেবা নিতে আসা সবাইকে সর্বোচ্চ সৌজন্য, আন্তরিকতা ও সম্মানের সঙ্গে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে বিদ্যমান আইন, বিধি ও নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

ডিউটি অফিসারের কক্ষ ও সেবাপ্রত্যাশীদের ওয়েটিংরুমসহ থানার সব কার্যক্রম সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে।

জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সাড়া দিতে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হচ্ছে কুইক রেসপন্স টিম। নারীদের অভিযোগ শুনতে ও তা সমাধানে নারী কর্মকর্তাদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনগণকে অনলাইন সাধারণ ডায়েরি (ই-জিডি) সেবা ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন পুলিশি সেবা পাওয়ার নির্দেশনা থানার ভেতরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে সেবা পাওয়া সহজ হয়।

কার্যকরভাবে সেবা নিশ্চিতে থানাগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা নিয়মিত সরাসরি তদারকি ও পরিদর্শন করছেন।

থানার কার্যক্রম তদারকি ও যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও নিয়মিত সরাসরি তদারকি ও পরিদর্শন করছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category