• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline
শ্রমিকদের দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথে আন্দোলন চলবে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ এনসিপির তিন দাবি ধর্মীয় আবেগ নয়, জনগণের আস্থা অর্জনই রাজনীতির মূল শক্তি-মীর নেওয়াজ আলী ৩৩ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন ঘরে বসেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স, আসছে সমন্বিত অনলাইন ব্যবস্থা দেশকে এগিয়ে নিতে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখতে নিজস্ব সংস্কৃতিতে তরুণদের উদ্বুদ্ধ হতে হবে: রিজভী দুর্গাপূজায় হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছেঁউড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী লালন উৎসবের উদ্বোধন বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই, রাষ্ট্র সবার: চিফ হুইপ

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার, নিরাপত্তার অধিকারও সবার :প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একুশে সংবাদ ডেস্ক / ২৮ Time View
Update : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি পালনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘শারদীয় দুর্গাপূজা’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসবটি আনন্দ, উৎসাহ ও নিরাপত্তার সঙ্গে উদযাপনের আহ্বান জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দুধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন। এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় দেশ হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।” তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে, নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান এবং তাঁদের আবারও শুভেচ্ছা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category