সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আর্টিলারি রেজিমেন্টের সার্বিক উন্নয়ন, পরিবর্তিত যুদ্ধপরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ আভিযানিক সক্ষমতা অর্জনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন।
আজ চট্টগ্রামের হালিশহরে অবস্থিত আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলে ৩ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপি আর্টিলারি রেজিমেন্টের ৪৫তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন, ৬ষ্ঠ পুনর্মিলনী, ১১তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান এবং আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।
সেনাবাহিনী প্রধান পেশাগত উৎকর্ষতা বজায় রেখে সর্বদা প্রস্তুত থাকার জন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ আর্টিলারি রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন শেষে আর্টিলারি রেজিমেন্টের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত থেকে মনোমুগ্ধকর পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন এবং প্রাক্তন ও বর্তমান সদস্যগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন।
এসময় তিনি রেজিমেন্টের সদস্যদের পারস্পরিক ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি পাঁচ দশকের দীর্ঘ পথচলায় আর্টিলারি সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আর্টিলারি সেন্টার এন্ড স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তীতে সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
গত ৩ নভেম্বর আর্টিলারি রেজিমেন্টের ১১তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
এসময় তাকে শহীদ মেজর নাজমুল হক প্যারেড গ্রাউন্ডে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং আর্টিলারি রেজিমেন্টের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক ও জ্যেষ্ঠতম মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার কর্নেল কমান্ড্যান্ট র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি টেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড, সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া, সামরিক ও বেসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, আর্টিলারি রেজিমেন্টে কর্মরত, অবসরপ্রাপ্ত সদস্যগণ ও পরিবারবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।