• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে শিবা সানু জয় চৌধুরী : ২০২৬-২৮  অভিনেত্রী মৌনীকে নিয়ে নতুন বিতর্ক ওপেক প্লাস মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমায় তেল উত্তোলন কোটা বাড়াতে পারে  সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজায় অনুপস্থিত ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতবা মেসির রেকর্ডে ভাগ বসালেন এমবাপ্পে : গোল্ডেন বুট ষোলোর ম্যাচে হালান্ডকে থামানো ব্রাজিলের জন্য কোন রহস্য নয় : আনচেলত্তি দেশে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দ্বিগুণ করেছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সচিবালয় জাইকা বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী : মির্জা ফখরুল জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর ফিফা বিশ্বকাপে বিটিভি’র প্রচারস্বত্বে ভ্যাট অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি : বিশ্বকাপ-২০২৬’

দেশীয় হলুদ উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষে থেকেও আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোটার / ৬৯ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

বছরে ব্যয় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ হলুদ উৎপাদনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনও ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ হলুদ আমদানি করছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দেশে আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং শিল্পের অভাব, আমদানিকারক সিন্ডিকেটের প্রভাব এবং নীতিগত দুর্বলতার কারণে প্রতিবছর প্রায় ৫০০ কোটি টাকার হলুদ বিদেশ থেকে আনতে হচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১.৪৭ লাখ থেকে ২.৮৬ লাখ মেট্রিক টন কাঁচা ও শুকনো হলুদ উৎপাদিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের উৎপাদিত হলুদ গুণগত মানে আন্তর্জাতিক বাজারেও সমাদৃত।

তবে প্রশ্ন উঠেছে—দেশে পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকার পরও কেন ভারত থেকে প্রায় ৩৮ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন হলুদ আমদানি করতে হচ্ছে? সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে আধুনিক অটোমেটিক মিল, সংরক্ষণাগার ও ভ্যাকুয়াম প্যাকেজিং প্ল্যান্টের অভাবের সুযোগ নিচ্ছে একটি আমদানিকারক চক্র।

অভিযোগ রয়েছে, এই সিন্ডিকেট দেশীয় শিল্প গড়ে তোলার পরিবর্তে ভারত থেকে প্রস্তুত হলুদ আমদানিতে বেশি আগ্রহী। এতে দ্রুত মুনাফার পাশাপাশি আন্ডার-ইনভয়েসিং ও হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাবে কৃষকদের উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ হলুদ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ন্যায্য দাম না পেয়ে অনেক কৃষক হলুদ চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া কিছু হলুদে ক্ষতিকর কেমিক্যাল, বিশেষ করে লিড ক্রোমেট (সীসা) মেশানোর অভিযোগও রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সরকার যদি স্বল্প সুদে ঋণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং শিল্প স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা দেয়, তাহলে দেশীয় হলুদ দিয়েই দেশের শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ ভবিষ্যতে হলুদ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।

এ পরিস্থিতিতে অনেকেই দেশীয় কৃষক ও শিল্পকে রক্ষায় ভারত থেকে আমদানি করা হলুদের ওপর উচ্চহারে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category