• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল আন্তর্জাতিক মানের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একুশে সংবাদ ডেস্ক / ৭৩ Time View
Update : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

এবারের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ব্যবহৃত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে গুণগত মান যাচাইয়ের পর ইউনিসেফের মাধ্যমে উন্নতমানের এসব ক্যাপসুল দেশে আনা হয়েছে।

রবি বার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহের আগে ইউনিসেফের সঙ্গে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে এর মান যাচাই করা হয়েছে। ফলে দেশের শিশুদের সর্বোচ্চ মানের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হচ্ছে বলে সরকার আশ্বস্ত।

তিনি জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে দেশের ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকারের কাছে লাল ও নীল রঙের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সারাদেশে একযোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং কোনো শিশু যাতে বাদ না পড়ে, সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরবর্তী দিনগুলোতে, সর্বোচ্চ চতুর্থ দিন পর্যন্ত তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর সুযোগ থাকবে।

শিশুদের অন্ধত্ব, হামসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে অভিভাবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ালেই দায়িত্ব শেষ নয়। শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিশ্চিত করতে জন্মের পরপরই মায়ের শালদুধ পান করানো, ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং পরবর্তীতে বয়স অনুযায়ী নিরাপদ পানি, সুষম ও পুষ্টিকর সম্পূরক খাবার নিশ্চিত করা জরুরি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শালদুধই নবজাতকের জন্য ভিটামিন ‘এ’-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উৎস। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category