তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এমন দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
আজ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর ধারণা তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাস্তবে তুরাগ নদীতে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য বা অভিযোগও পাওয়া যায়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এমন তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
পুলিশ সদর দপ্তর আরও জানায়, গুজব ও অপপ্রচারের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি ও মনোবল ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।