ঢাজা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিত্রাণের কোনো উপায়ই কি নেই

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩
  • ১২৩ শেয়ার

বখাটেদের ঔদ্ধত্যপনায় কিশোরীদের মা–বাবার থাকতে হচ্ছে নিরাপত্তাহীনতায় চা–দোকানি বাবার স্বপ্ন ছিল, মেয়ে অনেক বড় হবে। আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়বে। সেই মেয়ের মৃত্যুর বিচার চাইতেই এখন আইনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বাবা। মেয়ের আত্মহত্যার বিচার চান পাবনার বেড়া পৌরসভার সান্যালপাড়ার জাইদুল হোসেন। এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সুস্মিতা। কিন্তু ১৭ জানুয়ারি কলেজ যাওয়ার পথে বখাটেদের উত্ত্যক্তের শিকার হন ১৮ বছরের এই তরুণী। বখাটেদের হাতে মারধর খেয়ে রক্তাক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। এমন অপমান মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যা করেন। সুস্মিতার মতো এমন ঘটনা আমরা প্রায়ই শুনছি, দেখছি। বখাটেদের উৎপাতে নিরুপায় হয়ে কিশোরীকে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন মা–বাবা, নয়তো বন্ধ করছেন পড়াশোনা। ২০ বছর আগে আমরা যখন লেখালেখি শুরু করি, তখনো আমাদের লিখতে হয়েছিল বখাটের উৎপাতে গলায় দড়ি দেওয়া নারায়ণগঞ্জের চারুকলার শিক্ষার্থী সীমা বানু সিমিকে নিয়ে, পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজের সম্ভ্রম বাঁচানো ছোট্ট তৃষাকে নিয়ে। কত কিছুই তো বদলাল। কিন্তু এখনো আগের মতোই আছে সেই চিত্র। বরং আগের চেয়ে আরও প্রকট এবং ভয়ংকর রূপ নিয়ে বাড়ছে বখাটেদের ঔদ্ধত্যপনা। কিশোরীদের মা–বাবার থাকতে হচ্ছে নিরাপত্তাহীনতায়। সন্তানকে একা রাস্তাঘাটে ছাড়তে ভয় পান তাঁরা। যতক্ষণ না ঘরে ফেরে মেয়ে, দুরুদুরু করে মায়ের বুক। এ থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায়ই কি নেই? কীভাবে এই সামাজিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে নিরাপদে রাখা যাবে আমাদের সন্তান? বিশেষজ্ঞেরা জানালেন মতামত।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান

পরিত্রাণের কোনো উপায়ই কি নেই

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

বখাটেদের ঔদ্ধত্যপনায় কিশোরীদের মা–বাবার থাকতে হচ্ছে নিরাপত্তাহীনতায় চা–দোকানি বাবার স্বপ্ন ছিল, মেয়ে অনেক বড় হবে। আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়বে। সেই মেয়ের মৃত্যুর বিচার চাইতেই এখন আইনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বাবা। মেয়ের আত্মহত্যার বিচার চান পাবনার বেড়া পৌরসভার সান্যালপাড়ার জাইদুল হোসেন। এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সুস্মিতা। কিন্তু ১৭ জানুয়ারি কলেজ যাওয়ার পথে বখাটেদের উত্ত্যক্তের শিকার হন ১৮ বছরের এই তরুণী। বখাটেদের হাতে মারধর খেয়ে রক্তাক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। এমন অপমান মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যা করেন। সুস্মিতার মতো এমন ঘটনা আমরা প্রায়ই শুনছি, দেখছি। বখাটেদের উৎপাতে নিরুপায় হয়ে কিশোরীকে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন মা–বাবা, নয়তো বন্ধ করছেন পড়াশোনা। ২০ বছর আগে আমরা যখন লেখালেখি শুরু করি, তখনো আমাদের লিখতে হয়েছিল বখাটের উৎপাতে গলায় দড়ি দেওয়া নারায়ণগঞ্জের চারুকলার শিক্ষার্থী সীমা বানু সিমিকে নিয়ে, পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজের সম্ভ্রম বাঁচানো ছোট্ট তৃষাকে নিয়ে। কত কিছুই তো বদলাল। কিন্তু এখনো আগের মতোই আছে সেই চিত্র। বরং আগের চেয়ে আরও প্রকট এবং ভয়ংকর রূপ নিয়ে বাড়ছে বখাটেদের ঔদ্ধত্যপনা। কিশোরীদের মা–বাবার থাকতে হচ্ছে নিরাপত্তাহীনতায়। সন্তানকে একা রাস্তাঘাটে ছাড়তে ভয় পান তাঁরা। যতক্ষণ না ঘরে ফেরে মেয়ে, দুরুদুরু করে মায়ের বুক। এ থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায়ই কি নেই? কীভাবে এই সামাজিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে নিরাপদে রাখা যাবে আমাদের সন্তান? বিশেষজ্ঞেরা জানালেন মতামত।