• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
Headline
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগ: তদন্ত হোক সবার জন্য একই মানদণ্ডে পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি -বিএমইউজে এনসিটি পরিচালনায় বিশ্বমানের অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’: কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন সমীকরণসুফি বিশ্বাস দক্ষ ও যোগ্য তরুণ প্রজন্মই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহে মৃত্যু ১,৩০০ ছাড়াল কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ আজ: পরিসংখ্যানে এগিয়ে কানাডা পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ, বাড়ছে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা বিগত সরকারের ধ্বংসস্তূপ থেকে অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের রোডম্যাপ এই বাজেট : মির্জা ফখরুল শেষরাতে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ফেসবুকে আধ্যাত্মিক পোস্ট” জামায়াতের রাজনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে মাদকের বড় চালান আসে: সংসদে গয়েশ্বর

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৫ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দাবি করেছেন, দেশের সবচেয়ে বড় মাদকের চালান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার আশপাশের সীমান্তপথ দিয়ে আসে। তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়, এর কার্যকর বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সততা ও দৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন।

শনিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, অতীতে ওই সীমান্ত এলাকার মাদক পাচার নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদীর নাম বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে থাকলেও ওই পথে মাদক পাচার পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, সীমান্ত দিয়ে মাদক আসা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, দেশের অন্যতম বড় সামাজিক সংকট এখন মাদকাসক্তি। এ প্রসঙ্গে নিজের নির্বাচনী এলাকার একটি ১০ শয্যার হাসপাতালের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং সেখানে চিকিৎসাসেবা না দিয়ে মাদকসেবীদের আড্ডা বসছে।

গয়েশ্বর বলেন, হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হলেও বর্তমানে সেখানে রোগী, চিকিৎসক কিংবা প্রয়োজনীয় জনবল নেই। অথচ ওই এলাকায় সরকারি হিসাবে প্রায় ছয় লাখ এবং বেসরকারি হিসাবে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের বসবাস। এত বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না হওয়ায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, মাদকবিরোধী আইন থাকলেও সেগুলোর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক দক্ষতা, সৎ সাহস এবং আন্তরিকতার বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্য সংসদে দেওয়া তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক মন্তব্য ও অভিযোগ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category