কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভাকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টার কাছে ডিও (D.O.) লেটার পাঠিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের সংসদ সদস্য ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে পাঠানো ওই ডিও লেটারে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় কুলিয়ারচর পৌরসভাকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক পদক্ষেপ।
ডিও লেটারে বলা হয়, ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কুলিয়ারচর পৌরসভায় গত কয়েক বছরে জনসংখ্যা, আবাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নগরায়ণের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে। এর ফলে নাগরিক সেবার চাহিদাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বর্তমান জনবল ও আর্থিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে পৌর কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হলে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের সুযোগ বাড়বে, আর্থিক সক্ষমতা শক্তিশালী হবে এবং আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণে নতুন গতি আসবে। পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়ন, সুপেয় পানির সরবরাহ, স্ট্রিট লাইট স্থাপনসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে কুলিয়ারচরকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব পৌরনগরী হিসেবে গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।
এদিকে কুলিয়ারচর পৌরসভাকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করার উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পৌরবাসীর মধ্যে আনন্দ ও আশাবাদের সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের মাধ্যমে উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে কুলিয়ারচরের সামগ্রিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে এবং নাগরিকরা উন্নত, আধুনিক ও মানসম্মত সেবা লাভ করবেন।