গত ২১ আগসাট শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় মারধরের ঘটনায়টি ঘটেছে বলে জানান।
এবিষয়ে হাজ্বী ম্যানশনের মালিক মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদমাধ্যম কে বলেন, জীবনের দীর্ঘ প্রবাসে থেকে হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর তিলে তিলে কষ্টের সব জমানো উপার্জনের টাকা দিয়ে ৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটি নির্মাণ করি। ভেবেছিলেন, দেশে ফিরে আপন ঠিকানায় একটু শান্তিতে বাকি জীবনটা কাটাব, কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস সেই ঘাম ঝড়ানো বাড়িতে আমার জায়গা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন,আমার স্ত্রী রেজিয়া বেগম , পরকীয়ার প্রেমে পরে আমাকে শারীরিক নির্যাতন আর বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে আমার বাড়ি দখল করার চেষ্টা করেন বাঁধা দিতে গেলে আমাকে ও ইনচার্জ কে এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করেন আমার স্ত্রী রেজিয়া বেগম ।গত ২১ তারিখে ইনচার্জ ও আমি বিল্ডিংয়ের নিচে অফিস রুমে বসে ভাড়াটিয়াদের সমস্যা নিয়ে কথা বলতেছি হঠাৎ করে আমার স্ত্রী রেজিয়া বেগম এসে আমার ডান হাত ও বাম হাতে কামড় দিয়ে রক্তাক্ত করেন।এবং দেয়ালের সাথে আমার মাথায় আঘাত করেন,এতে করে আমার ব্যারেন্টে বড় ধরনের আঘাত লাগে। পরে আমার ইনচার্জ সহ ভাড়াটিয়ারা আমাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডাক্তারের চিকিৎসা সেবা নেয়ার পর বর্তমানে নিজ বাড়ি চাঁদপুরে দুটি সন্তান কে নিয়ে অনিরাপত্তায় জীবনযাপন করছি।
তিনি আরও বলেন,বিবাহের সময় কথা ছিলো আমার মা ও আমার দুটি সন্তান কে নিজের সন্তানের মতো দেখবে,বিবাহের ৩ মাস পর আমার স্ত্রী রেজিয়া বেগম আমাকে বলে,তুমি আমাকে তোমার সম্পত্তির কিছুটা আমার নামে লিখে দাও। বিবাহের পর দুটি টুইন বেবী জন্ম গ্রহণ করে,বেবী দুটি আসার পর আমার স্ত্রী রেজিয়া বেগম প্রায় সময় দেখি মোবাইল ফোনে কার সাথে কথা বলে,বিষয়টি জানতে চাইলে আমার সাথে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করেন। আমার স্ত্রীর নির্যাতন সজ্জ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আমি আমার স্ত্রী কে মার্চ মাসের ১৫ তারিখে ডিভোর্স দিয়েছি। ডিভোর্স দেওয়ার পরপরই বহিরাগত লোকজন নিয়ে আমার বাড়ি দখল করার চেষ্টা করেন। গত ২১ আগস্ট শুক্রবার রাতে আমার ঘরে থাকা আসবাসপত্র নগদ টাকা ও স্বর্ণঅলংকার সহ প্রায় ৩০ লক্ষ্য টাকার মালামাল সরিয়ে ফেলেন।
তিনি আরও বলেন,আমাকে মারধর করার পর ৯৯৯ লাইনে ফোন করে ইপিজেড থানার পক্ষ থেকে আইনগত সহযোগিতা পাইনি বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে হাজ্বী ম্যাশনের ইনচার্জ ওয়াসীমের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদমাধ্যম কে আমার বাড়ির মালিক মিজানুর রহমান রেজিয়া বেগম নিপা কে বিবাহ করেন।বিবাহের পর ৩ মাস মিজানুর রহমানের সাথে সুন্দর ভাবে জীবন সংসার করে আসছিল। দুটি টুইন বেবী হওয়ার পরপরই হঠাৎ করে সম্পত্তি কে কেন্দ্র করে দুজনার মাঝে একটু কথার কাটাকাটি সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বলতে গেলে কোনকিছু না বুঝেই আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ একপর্যায়ে আমার মাথা আঘাত করেন রেজিয়া বেগম নিপা।
তিনি আরও বলেন,আমাকে মারধর করার পর আমি আমার বাড়ির মালিক মিজানুর রহমান সহ আমরা ইপিজেড থানায় যাই একটি অভিযোগ করতে। ইপিজেড থানায় অভিযোগ না নিয়ে থানা থেকে আমাদের দুজনকে বের করে দেন। পরে থানা থেকে বের হয়ে বাড়ির মালিক মিজানুর রহমান চট্টগ্রাম আদালতে একটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেন।
এবিষয়ে হামলাকারী রেজিয়া বেগম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।