স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতাল রোডটির সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং ঠিকাদারও রয়েছে। এরপরও দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির উঁচু-নিচু ও ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে প্রতিদিনই রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, জরুরি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার সময় বেহাল সড়কের কারণে অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে। এতে গুরুতর অসুস্থ রোগী, প্রসূতি মা ও বয়স্কদের শারীরিক ঝুঁকি আরও বেড়ে যাচ্ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, রাস্তার টেন্ডার হয়েছে, ঠিকাদারও রয়েছে—তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে না কেন? প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক জটিলতা থাকলেও হাসপাতালমুখী রোগীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের—এমনটাই মনে করছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের একাংশের মতে, দীর্ঘসূত্রতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের দাবি, মূল সংস্কারকাজ শুরু হতে সময় লাগলে অন্তত জরুরি ভিত্তিতে সড়কটির উঁচু-নিচু অংশ সমতল করে রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করা হোক।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় বিধি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যদি জরুরি ভিত্তিতে সামান্য অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে সড়কটির ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো সাময়িকভাবে সমতল করা যায়, তাহলে অসুস্থ বাবা-মা, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ও অন্যান্য রোগীসহ সর্বসাধারণ নিরাপদে হাসপাতালে যাতায়াত করতে পারবেন।
তাদের দাবি, স্থায়ী সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত অন্তত সাময়িকভাবে সড়কটি চলাচল উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হোক। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে একটি সম্ভাব্য দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
জনস্বার্থে হাসপাতাল রোডটির বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।