শিক্ষার্থীরা প্রকৃতপক্ষে কী ধরনের খাবার পাচ্ছে, তা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
অভিভাবক ও সচেতন মহলের মতে, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা খাবারের গুণগত মান, পরিমাণ ও ওজন নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। শুধু কাগজে-কলমে সরবরাহ নিশ্চিত না করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিদ্যালয়ে গিয়ে খাবার হাতে নিয়ে মান ও ওজন যাচাই করা প্রয়োজন।
তাদের দাবি, প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেওয়া খাবারের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা যেতে পারে। রুটি বা বিস্কুটের নির্ধারিত ওজন, ডিমের আকার ও মান, দুধের পরিমাণ এবং কলার মান—সবকিছু নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী দেওয়া হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা দরকার।
অভিভাবকরা বলেন, ‘আমাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্কুলে গিয়ে কী খাচ্ছে, তা আমাদের জানতে হবে। খাবারের মান ও পরিমাণে কোনো অনিয়ম থাকলে তা দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নমুনা যাচাই করা হলে খাবার বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকারি বরাদ্দের খাবার যেন নির্ধারিত মান ও ওজন অনুযায়ী তাদের হাতে পৌঁছে—এ জন্য কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।