• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
Headline
বাজিতপুরে সংঘর্ষের অবসান, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি প্রসাধনীতে পশুর চর্বি! ব্যবহারের আগে জেনে নিন শরিয়তের বিধান : নিত্যব্যবহার্য রিজিকের স্তর কয়টি ও কী কী : প্র্যাকটিসিং মুসলিম পোশাকে বিতর্কে : দীপিকা জেমসসহ গাইবেন যারা, গানের তালে মাতবে নগর নিউজিল্যান্ডের নির্বাচন : প্রচারণার শেষ দিনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের দিকে  তুরস্কের সাবেক মন্ত্রী গ্রেফতার : বিনিয়োগ তহবিল কেলেঙ্কারির তদন্তে  হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী দু’টি ট্যাংকারে আগুন, দাবি ইরানের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অবসরে ফুটবল বিশ্বের শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা হাসান ঘরের মাঠে পাঁচ উইকেট পেয়ে আনন্দিত 

চট্টগ্রাম সম্প্রীতির গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে : প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন

অনলাইন ডেস্ক. / ৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীকে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের জন্য নিরাপদ, সুন্দর ও সম্প্রীতিপূর্ণ নগরীতে পরিণত করতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য চট্টগ্রামের অন্যতম শক্তি। এই বৈচিত্র্যকে ধারণ করে আমি চট্টগ্রামকে এমন একটি ‘রেইনবো সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সব ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি, সম্প্রীতি ও সমান নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবেন। আমাদের লক্ষ্য-এমন একটি মানবিক নগর গড়ে তোলা- যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবেন না এবং প্রত্যেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করবেন।

নগরীর সিইপিজেড এলাকায় বেপজা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে চট্টগ্রাম মৈত্রী বন বিহারের উদ্যোগে আয়োজিত ১৬তম কঠিন চীবর দানোৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দান, ত্যাগ, সংযম ও মানবকল্যাণের যে শিক্ষা এই উৎসব বহন করে, তা আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয়। ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

বৌদ্ধধর্মের অহিংসা, মৈত্রী ও করুণার শিক্ষার কথা উল্লেখ করে চসিক প্রশাসক বলেন, বুদ্ধের শিক্ষা মানুষকে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে শান্তি, সংযম ও সহমর্মিতার পথে চলতে অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান বিশ্বে সামাজিক বিভাজন, অসহিষ্ণুতা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। কঠিন চীবর দানের মতো ধর্মীয় উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের ধর্মাচরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য, দানশীলতা ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করারও সুযোগ সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে রাজবন বিহারের অধ্যক্ষ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির, জ্যেষ্ঠ আবাসিক ভিক্ষু সৌরজগৎ মহাস্থবির এবং চট্টগ্রাম মৈত্রী বনবিহারের অধ্যক্ষ বিজ্ঞানানন্দ মহাস্থবিরসহ বিভিন্ন বিহারের ভিক্ষুসংঘের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category