• শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও কিছুটা বেড়েছে  নুসরাত ফারিয়া ঈদে ফুয়াদের গানে নাচবেন ঈদে ঘিরে ‘মায়া পাখি’ নিয়ে আসছেন অপূর্ব-নীহা  ভয়ংকর অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন ফারিন খান : নারীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু দেশে শিশু নির্যাতন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে, চার মাসে ধর্ষণের শিকার ১১৮ শিশু সাপ নয়, এটি কুঁচিয়া: বিদেশে দামী খাবার, দেশে এখনো অবহেলিত ইরান সংকটের প্রভাবে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র, তেহরানে যাচ্ছেন আসিম মুনির বিকেএসপি কাপ বক্সিংয়ে বিকেএসপি ২০২৬এ চ্যাম্পিয়ন

ওয়াইজঘাটে জমে উঠেছে গ্রীষ্মকালীন ফলের বাজার

ওয়াইজঘাট ডেস্ক. / ১৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ওয়াইজঘাট ফলের আড়ত এখন গ্রীষ্মকালীন নানা ফলে সরগরম হয়ে উঠেছে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরঘেঁষা দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি ফলের বাজারটিতে এখন আম, লিচু, আনারস, তরমুজ, কাঁঠাল, তালসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের সমারোহ দেখা যাচ্ছে।

মধুমাস বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই ওয়াইজঘাটে দেশি ফলের মৌসুম শুরু হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইতোমধ্যে বাজারে আসতে শুরু করেছে হিমসাগর, গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ও গুটি জাতের আম। পাশাপাশি পাবনার বোম্বাই ও চায়না-৩ জাতের লিচু, টাঙ্গাইলের আনারস, রাঙামাটির কাঁঠাল এবং বরিশালের তালেও ভরে উঠেছে আড়ত।

সরেজমিনে দেখা যায়, নাটোরের তরমুজ ও টাঙ্গাইলের আনারসে সাজানো রয়েছে অধিকাংশ আড়ত। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে ফলের সরবরাহ আরও বাড়বে। ফলে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতিও বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।

বর্তমানে নাটোর থেকে আসা বড় তরমুজ পাইকারি বাজারে ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং ছোট তরমুজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাতক্ষীরার হিমসাগর আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৭০ টাকায়। এছাড়া গোপালভোগ আম ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং গোবিন্দভোগ আম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গুটি আমের পাইকারি দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা হলেও খুচরা বাজারে তা ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আমের পাইকারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মোহাম্মদ শিপন বলেন, মৌসুমের শুরু হওয়ায় এখনো আমের চাহিদা তুলনামূলক কম। তবে ঈদকে সামনে রেখে আগামী দিনে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

অন্যদিকে পাবনা থেকে আসা বোম্বাই লিচু পাইকারি বাজারে প্রতি হাজার ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে প্রতি শত বোম্বাই লিচুর দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। চায়না-৩ জাতের লিচু প্রতি শত ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

যশোর থেকে আসা ড্রাগন ফল পাইকারি বাজারে ১৮০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বরিশালের তাল প্রতি ছড়ি ৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা তালের শাঁসের প্রতিও ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা গেছে।

রাঙামাটি থেকে আসা ছোট কাঁঠাল ৩০ থেকে ৫০ টাকা এবং বড় কাঁঠাল ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টাঙ্গাইল ও রাঙামাটি থেকে আসা আনারস পাইকারি বাজারে ২৮ থেকে ৪০ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আনারস বিক্রেতা মোহাম্মদ সোহাগ বলেন, গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আনারসের চাহিদাও বাড়ছে। সামনে তাপমাত্রা আরও বাড়লে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

ক্রেতারাও এখন ভিড় করছেন ওয়াইজঘাটে। পুরান ঢাকার বাসিন্দা আবদুল্লাহ মামুন বলেন, বাজারে ফলের সরবরাহ পুরোপুরি বাড়েনি বলে এখন দাম কিছুটা বেশি। তবে কয়েকদিনের মধ্যে দাম কমে আসবে বলে তিনি আশা করছেন।

দিন যত যাচ্ছে, ততই বাদামতলির এই ঐতিহ্যবাহী ফলের আড়তে বাড়ছে মৌসুমি ফলের সরবরাহ। নানা রঙ ও স্বাদের দেশি ফলে এখন প্রাণ ফিরে পেয়েছে ওয়াইজঘাটের ব্যস্ত আড়ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা