• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
৫৩ দিন পর উদ্ধার পুলিশ কনস্টেবলের কিশোরী কন্যা সিলেটের মাজার ব্যবস্থাপনায় – ঐতিহ্য রক্ষা নাকি স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা ? আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য অপতৎপরতা ঠেকাতে ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে নিবন্ধিত গণমাধ্যম ১ হাজার ৯৬৯টি: সংসদে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী নাশকতা প্রতিরোধে ছয় জেলায় সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা ফ্যাসিস্ট আমলে রোষানলের শিকার ডিপিডিসি‘র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল মজিদ বহুমুখী খাতে সম্পর্ক গভীর করতে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে উচ্চপর্যায়ের উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এয়ারএশিয়া গ্রুপের সিইওর সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

বদলে যাচ্ছে চৌদ্দগ্রামের গ্রামীণ জনপদ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্পে নতুন আশার আলো

মো: মাছুম: / ১৭৪ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো গ্রামীণ জনপদের চিত্র বদলে দিচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার কনকাপৈত ও জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে স্থানীয় জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এক সময়ের কর্দমাক্ত মাটির রাস্তা আর জীর্ণ সাঁকোর বদলে এখন নির্মিত হচ্ছে আধুনিক টেকসই হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) রাস্তা এবং আরসিসি রাস্তা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত এসব প্রকল্পের সুফল সরাসরি ভোগ করছেন ইউনিয়নগুলোর হাজার হাজার মানুষ।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, আগে যেসব গ্রামীণ রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত, বর্তমানে সেই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে সাধারণ মানুষ। একসময় কাদা-জলের কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত ব্যাহত হতো এবং কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারজাত করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতেন। এমনকি মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিতেও পোহাতে হতো চরম ভোগান্তি। এখন আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে এসব নাগরিক সুবিধা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছেছে।

উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ফলে তাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন খুব সহজেই পণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে কনকাপৈত ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: মীর হোসেন জানান, “দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহায়তায় চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের মান নিয়ে তারা অত্যন্ত সচেতন। বর্তমানে বাস্তবায়িত কাজের মান আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে উন্নত এবং টেকসই”।

একই চিত্র দেখা গেছে জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নেও। সেখানকার সাধারণ মানুষ জানান, নতুন রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে পানি-কাদা থেকে তারা মুক্তি পেয়েছেন।

জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা মেনে এবং শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছি। কাজের সর্বোচ্চ মান ধরে রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য, এখন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকেও প্রতিটা কাজের যথাযথ তদারকি করছেন।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে চৌদ্দগ্রামের প্রতিটি ইউনিয়ন একটি মডেল জনপদে পরিণত হবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা