“প্রতি সিলিন্ডারে ১–২ কেজি গ্যাস কম” বা “বছরে ১,০০০ কোটি টাকা লুট”
ইকবাল খান, স্টাফ রিপোটার
/ ৩২
Time View
Update :
শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
Share
আপনার লেখায় যে উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে, সেটি অনেক ভোক্তার বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলে যায়। তবে “প্রতি সিলিন্ডারে ১–২ কেজি গ্যাস কম” বা “বছরে ১,০০০ কোটি টাকা লুট” — এসব দাবির নির্ভরযোগ্য সরকারি বা গবেষণাভিত্তিক প্রমাণ সবসময় প্রকাশ্যে পাওয়া যায় না। তাই বিষয়টি সচেতনতার সঙ্গে দেখা জরুরি।
তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সত্যিই জানা দরকার—
এলপিজি সিলিন্ডারের গায়ে সাধারণত Tare Weight (TW) বা খালি সিলিন্ডারের ওজন লেখা থাকে।
১২ কেজি এলপিজির ক্ষেত্রে মোট ওজন হবে:
খালি সিলিন্ডারের ওজন + ১২ কেজি গ্যাস
যেমন TW যদি ১৫.২ কেজি হয়, তাহলে মোট ওজন প্রায় ২৭.২ কেজি হওয়ার কথা।
পরিবহন, তাপমাত্রা বা যন্ত্রের সামান্য ত্রুটির কারণে অল্প পার্থক্য হতে পারে, কিন্তু বড় ধরনের ঘাটতি সন্দেহজনক।
আপনার উল্লেখ করা “Cross-filling” বা এক সিলিন্ডার থেকে আরেকটিতে গ্যাস স্থানান্তর সত্যিই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে—
ভালভ নষ্ট হতে পারে
গ্যাস লিকের ঝুঁকি বাড়ে
আগুন বা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে
তাই কিছু সতর্কতা মেনে চলা উচিত:
সম্ভব হলে কেনার সময় ডিজিটাল স্কেলে ওজন মিলিয়ে নিন
সিলিন্ডারের সিল ও ভালভ পরীক্ষা করুন
অনুমোদিত ডিলার থেকে গ্যাস কিনুন
গ্যাসের গন্ধ পেলে সঙ্গে সঙ্গে রেগুলেটর বন্ধ করুন
অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ যোগাযোগ করুন
আর আপনার শেষ প্রশ্নের উত্তরে— অনেক মানুষ নিয়মিত ওজন মেপে নেন না, কিন্তু সচেতন ভোক্তারা এখন ধীরে ধীরে এ বিষয়ে সতর্ক হচ্ছেন।