সংগঠনটির তথ্যে বলা হয়েছে, একই সময়ে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে আরও ৪৬ শিশু। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৪ শিশুকে এবং ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয়েছে তিন শিশুকে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে দুই শিশু।
শুধু মে মাসের প্রথম ২০ দিনেই ধর্ষণের শিকার হয়েছে ২৪ শিশু। একই সময়ে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে ১২ জন এবং ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় পাঁচজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আসক।
এদিকে বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১১৫ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে বলেও সংগঠনটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, এসব ঘটনা সমাজে শিশু নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। তারা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার, আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা এবং শিশু সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।