২১ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৬২ মিলিয়ন ডলার বেশি।
মূল তথ্যগুলো সংক্ষেপে:
গ্রস রিজার্ভ: ৩৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার
বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ: ২৯.৮৮ বিলিয়ন ডলার
২০ মে গ্রস রিজার্ভ ছিল: ৩৪.৩৮ বিলিয়ন ডলার
২০ মে BPM-6 রিজার্ভ ছিল: ২৯.৭২ বিলিয়ন ডলার
এখানে দুই ধরনের হিসাব ব্যবহৃত হয়:
গ্রস রিজার্ভ — বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট বৈদেশিক মুদ্রার মজুত।
বিপিএম-৬ (BPM-6) রিজার্ভ — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্ধারিত মান অনুযায়ী হিসাব করা রিজার্ভ। এতে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দেওয়া হয়, তাই এটিকে তুলনামূলকভাবে “প্রকৃত” বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ হিসেবে ধরা হয়।
রিজার্ভ বাড়ার সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে:
রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি
রপ্তানি আয় বৃদ্ধি
আমদানি ব্যয় কিছুটা কম থাকা
বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা আসা
রিজার্ভ বৃদ্ধি সাধারণত দেশের আমদানি ব্যয় মেটানো, ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে আস্থা বজায় রাখতে সহায়ক হিসেবে দেখা হয়