• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
Headline
সংসদীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলকে দেওয়ার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের হোমনায় পুকুর খননের আড়ালে সরকারী খাসজমির বালু বিক্রির অভিযোগ! শ্যালো মেশিন জব্দ! হোমনায় সরকারি চাল বিক্রির অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা, দল থেকে বহিষ্কার !  কুতুববাগ দরবার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত ১৫৭, নিখোঁজ ৪০৩ নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে প্রধান মন্ত্রীর গভীর শোক, সহযোগিতার আশ্বাস চট্টগ্রামে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে ৫৫তম ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) জশনে জুলুস চৌদ্দগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনঃনির্মাণকৃত ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতি সভা চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার কলকলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি ‘উইন-উইন’: বাণিজ্যমন্ত্রী

একুশে সংবাদ ডেস্ক / ৭৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

ঢাকা, ৫ মে:

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিকে পারস্পরিক স্বার্থে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি উভয় পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে এবং এতে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকে।

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি দুই পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় করেই সম্পাদিত হয়। কাজেই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই।” তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী না হলেও রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে।

চুক্তি বাতিলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে তা সহজেই বাতিল করা যাবে। “এটি একটি বাস্তবতা এবং আমরা এটিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে চাই,” বলেন তিনি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া একটি তদন্ত প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। তিনি বলেন, “বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত শুরু না হলে তা আরও ইতিবাচক হতো।”

বাংলাদেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে কোনো খাতে ‘ওভার ক্যাপাসিটি’ নেই এবং ডাম্পিংয়ের অভিযোগও ভিত্তিহীন। অধিকাংশ পণ্য আমদানিনির্ভর হলেও রপ্তানির প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প, যা আন্তর্জাতিক মান ও কমপ্লায়েন্স মেনে পরিচালিত হয়।

তিনি আরও বলেন, তৈরি পোশাক খাতে শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের সুযোগ নেই বলেও বাংলাদেশ বারবার স্পষ্ট করেছে।

চুক্তির ধারাগুলো প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “চুক্তির কোনো ধারা দেশের স্বার্থের পরিপন্থী হলে তা সংশোধনের সুযোগ চুক্তির মধ্যেই রয়েছে।” তিনি একে ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এ বিষয়ে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category