আজ সৌদি আরবেই সম্পন্ন হয়েছে তার দাফন। জানা গেছে, মৃত্যুর পর প্রবাসীর মালিক পরিবারের কাছে দুটি প্রস্তাব দেন। যদি সৌদি আরবেই দাফন করতে রাজি হয় পরিবার, তাহলে কিছু আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আর যদি মরদেহ দেশে নিতে চায়, তাহলে দেশে পাঠানোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করা হবে।
কিন্তু হৃদয়বিদারক বিষয় হলো—পরিবার শেষ পর্যন্ত মরদেহ দেশে আনতে রাজি হয়নি। তারা আর্থিক সহায়তাকেই বেছে নিয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা আলোচনা ও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া। অনেকেই বলছেন, প্রবাসীদের জীবন যেন শুধুই টাকার হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। জীবনের শেষ বিদায়েও প্রিয়জনকে কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা হারিয়ে যাচ্ছে বাস্তবতার কঠিন চাপে।
একজন প্রবাসীর জীবন কতটা কষ্ট, ত্যাগ আর নিঃসঙ্গতার—এই ঘটনাই যেন আবারও তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।
হায়রে প্রবাসী জীবন!