বর্তমানে ট্রেনগুলোকে ভৈরব স্টেশনে এসে ইঞ্জিন ঘুরাতে হয়, যার ফলে অতিরিক্ত ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় ব্যয় হয়। ভৈরব রেল বাইপাস চালু হলে এই দীর্ঘসূত্রতা দূর হবে এবং ট্রেন চলাচল হবে আরও দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন।
রেল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি এতে রেল ব্যবস্থাপনায় গতি আসবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে নতুন ট্রেন চালুর সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা কিশোরগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হবে।
বিশেষ করে ভৈরব উপজেলা বাদে কিশোরগঞ্জের বাকি ১২টি উপজেলার মানুষ সরাসরি এই সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী ও ট্রেনচাপ বহনকারী ভৈরব রেলস্টেশনের ওপর চাপও অনেকাংশে কমে আসবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ভৈরব রেল বাইপাস বাস্তবায়ন হলে কিশোরগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে এবং জেলার সার্বিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।