পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা খুব শিগগিরই একনেক সভায় অনুমোদন পাবে। বিশেষজ্ঞ দলের চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ প্রকল্পকে অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
শুক্রবার রংপুরের কাউনিয়া এলাকায় তিস্তা সেতু ও তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়ন এবং দেশি-বিদেশি কারিগরি সহযোগিতায় ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন (ড্রেজিং), নদীশাসন এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তিনি বলেন, “তিস্তা শুধু উত্তরাঞ্চলের নয়, পুরো বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন কমবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।”
মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে এবং ৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল চূড়ান্ত রূপরেখা প্রস্তুত করছে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দিয়ে জনগণকে ধৈর্য ধরতে হবে। সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তরিক এবং সফল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।