সরকার বা জেলা প্রশাসন কর্তৃক আইনসম্মতভাবে ইজারাকৃত বালু উত্তোলনের নির্ধারিত এলাকা ছাড়া অন্য যেকোনো স্থানে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ অবৈধ এবং প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে অভিযোগ উঠেছে, বাস্তবে প্রতিদিন রাতের আঁধারে নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ঘাটে নোঙর করে রাখা লোড ড্রেজারগুলো নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে সারারাত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়। পরে ভোর বা ফজরের আগেই সেগুলো আবার ঘাটে ফিরিয়ে এনে বেঁধে রাখা হয়, যাতে বিষয়টি সহজে নজরে না আসে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, দিনের পর দিন প্রকাশ্যে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম চললেও এর দায়ভার কে নেবে? প্রশাসনের নজরদারি কতটা কার্যকর, নাকি সবকিছু চোখের সামনেই ঘটলেও তা উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে?
স্থানীয় বাসিন্দারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রতি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টির তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।
তাদের দাবি, রাতের বেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রকে শনাক্ত করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত, দৃশ্যমান ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নদী রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।