‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, নদী বাঁচলে জেলে বাঁচবে’ স্লোগানে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সমাবেশ হয়। এতে স্থানীয় কৃষক-জেলের পাশাপাশি বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত মুজিবুর রহমান মঞ্জুর ছেলে ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক।
সমাবেশে হাওরবেষ্টিত বলিয়াদী ইউনিয়নের কৃষক ও জেলেদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, নদী-খাল ও জলাশয় দখল, ভরাট এবং পানিপ্রবাহে বাধার কারণে কৃষি ও মৎস্যজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় খাল খনন, নদী-খাল অবমুক্ত এবং মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
মোস্তাফিজুর রহমান মামুন বলেন, কৃষক ও জেলেদের জীবন-জীবিকার উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের জন্য খাল খনন এবং জেলেদের জন্য নদী অবমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে না পারলে অর্থ থাকলেও মাছ কেনা সম্ভব হবে না।’ তাই নদী-খাল ও জলাশয় রক্ষার পাশাপাশি জেলেদের মাছ ধরার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মামুন আরও বলেন, অবমুক্ত নদী বা জলাশয়ে জেলেরা মাছ ধরতে গেলে কেউ বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের বাধা দিলে বা চাঁদা দাবি করলে তা প্রতিহত করতে হবে। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অনিয়ম বা অপকর্ম করলে তাঁরা বিএনপির কেউ নন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলের নাম ব্যবহার করে অনিয়ম ও অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মামুন বলেন, ‘আমি সবসময় আপনাদের পাশে আছি।’
সমাবেশে উপজেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য মনসুর, উপজেলা যুবদলের নেতা মো. নাছির উদ্দিন সোহাগ, বলিয়াদী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক, সহসভাপতি ইসমাইল, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ইমন, ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ এবং ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. বাছনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।