• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
Headline
প্রতিষ্ঠার ১৩৬ বছরে বাজিতপুর হাফেজ আবদুর রাজ্জাক পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারিকরণের জোরালো দাবি বাজিতপুর হাসপাতাল রোডের বেহাল দশা: ঝুঁকিতে রোগী ও সাধারণ মানুষ, দ্রুত সংস্কারের দাবি শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল-মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইইউতে মতবিরোধ ইরানের হামলার জবাবে ৫টি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের : দ্বিতীয় দফা  চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত, ১ কর্মকর্তা আহত ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবৈধ সার কারখানা সিলগালা; ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত  : বাংলাফ্যাক্ট বৃষ্টি হতে পারে দেশের বিভিন্ন স্থানে  ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রতিরোধে একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রাথমিকের নতুন কারিকুলামে শ্রবণ ও কথন দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে : প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ 

অনলাইন ডেস্ক. / ২ Time View
Update : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় পড়া ও লেখার প্রথাগত অনুশীলনে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের ভাষা শেখার চারটি মৌলিক দক্ষতার ওপর সমান জোর দেওয়া হবে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামে শ্রবণ (লিসেনিং) ও কথন (স্পিকিং) দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুধু পড়া ও লেখা নয়; বরং শুনে বোঝা, সঠিকভাবে কথা বলা এবং নিজের ভাব প্রকাশের দক্ষতা গড়ে তুলতে নতুন কারিকুলামেই প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও কার্যক্রম রাখা হবে। বিশেষ করে বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানে শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ভাষাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি।

আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ টিএমটিই (ট্রেনিং অব মাস্টার ট্রেনার্স ইন ইংলিশ) সদস্য সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভাষা শিক্ষার চারটি মৌলিক স্তম্ভ— শুনে বোঝা, বলে প্রকাশ করা, পড়ে বোঝা এবং লিখে প্রকাশ করা। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে শুনে বোঝার দক্ষতা তৈরি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যেকোনো ভাষা আয়ত্ত করার মূল চাবিকাঠি হলো শ্রবণ ও অনুশীলন।

 

শুধু সাক্ষরতার হার বাড়িয়ে প্রকৃত শিক্ষিত সমাজ গঠন সম্ভব নয় উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা হবে সবার মৌলিক অধিকার এবং তা মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে হবে। একই সাথে এই শিক্ষাকে দক্ষতাভিত্তিক, ক্যারিয়ারমুখী ও সুদৃঢ় নৈতিকতাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে ভাষা শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

শ্রেণিকক্ষে শুধু পাঠ্যবইনির্ভর পাঠদানের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ভিডিও, ওয়ার্কবুক, ডিজিটাল কনটেন্ট ও খেলার মাধ্যমে পাঠদান আরও আনন্দময় করতে আধুনিক শিক্ষণ-উপকরণ ব্যবহারের নতুন প্রস্তাব নিয়ে আসতে হবে। সরকার ফলাফলনির্ভর সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক নীতিগত পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর।

 

টিএমটিই বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের উপপরিচালক মারিয়া রেহমান।

অনুষ্ঠানে টিএমটিই বাংলাদেশের সদস্যসহ শিক্ষা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category