নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশ ও ‘সার্বভৌমত্ব’ র্যালির সূচনা বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতা, ব্যক্তি স্বাধীনতা, নাগরিক স্বাধীনতা এবং চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা করার একটি ঐতিহাসিক দিন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য র্যালির পূর্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রুহুল কবির রিজভী ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “আমাদের জন্য আজকের দিনটি অত্যন্ত আনন্দের। বহু লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল।”
সমাবেশ ও র্যালিতে বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ও জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মো. আমান উল্লাহ আমান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:
আহমেদ আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
নুরুল ইসলাম মনি, ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ
আব্দুস সালাম, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য
হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুগ্ম মহাসচিব
রশিদুজ্জামান মিল্লাত, কোষাধ্যক্ষ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রচার সম্পাদক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেন।