• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
Headline
যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ আইনপ্রণেতা মঙ্গলবার স্বীকার করেছেন : ৩৯টি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ইন্ডিয়া : সংকটে পড়েছে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল বৈদেশিক মুদ্রা এখন ভারতীয় রুপি: রয়টার্স বিজ্ঞানীরা বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিলেন ইংল্যান্ড টেস্ট দলে তিন নতুন মুখ নিউজিল্যান্ডের ৭৯তম কান উৎসবে নজর কাড়লেন আলিয়া অপূর্ব-নীহা অভিনীত ‘মায়াপাখি’ : ঈদে আসছে  দেশের মেধাবী মাধ্যমিকের অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন : জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন : ২০২৭ সালের

খুলনায় যমজ কন্যা শিশু হত্যার দায়ে মা কানিজ যাবজ্জীবন

খুলনা ডেস্ক. / ৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

খুলনার তেরখাদায় আড়াই মাস বয়সী যমজ দুই কন্যাশিশুকে হত্যার দায়ে তাদের মা কানিজ ফাতেমা কনাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ফাতেমা কনা জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা গ্রামের বাসিন্দা শেখ খাইরুজ্জামান ওরফে খায়েরের মেয়ে।

আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. মাজাহারুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার বাসিন্দা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়নের কুশলা গ্রামের কানিজ ফাতেমার বিয়ে হয়। ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর মোল্লাহাটের একটি ক্লিনিকে যমজ দুই কন্যাশিশুর জন্ম হয়। শিশু দুটির নাম রাখা হয় মনি ও মুক্তা।

সন্তান জন্মের পর ফাতেমা বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ আছে, মাসুম বিল্লাহ স্ত্রী ও সন্তানদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন না। অন্যদিকে নবজাতক দুই শিশুর দেখভাল একা হাতে করতে গিয়ে ফাতেমা মানসিক চাপে ছিলেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ফাতেমা তার ছোট বোনকে ফোন করে জানান, শিশু দুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন ভোরে বাড়ির পুকুর থেকে শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতে শিশু দুটির বাবা মাসুম বিল্লাহ তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, পারিবারিক অশান্তি ও শিশুদের লালন-পালন নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে কানিজ ফাতেমা কনা শ্বাসরোধে দুই শিশুকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেরখাদা থানার এসআই মো. এনামুল হক একই বছরের ৩১ মার্চ কনাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় কনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা