• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
শত বঞ্চনার মাঝেও যিনি শুনিয়েছেন মানবমুক্তির গান : জাতীয় কবি  প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রী থাকবেন : ঈদের প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায় জামায়াত আমির এবার মক্কায় ঈদ করবেন  মার্কিন আলোচনা ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ কঠোর জবাব দেবে ইরান রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত সর্বোচ্চ নেতার অনুমোদন ছাড়া সিদ্ধান্ত নেবে না ইরান  ঈদে সুলতানের বিশেষ চার নাটক : ‘দ্য ফ্যামিলি’ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ‘প্রিন্স’ সিনেমার সনদ  রেকর্ড গড়ে চোখের জলে অ্যানফিল্ড ছাড়লেন সালাহ ‘১১’ নম্বর জার্সি ফুটবল বিশ্বকাপের চাপ সামলাতে পারবে তো আমেরিকার ট্রেন বাংলার মধুমাসে জমে উঠেছে লালমনিরহাটের ফলের বাজার, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ফুটবল বিশ্বকাপের চাপ সামলাতে পারবে তো আমেরিকার ট্রেন

খেলাধুলা ডেস্ক / ২ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

আগামী ১১ই জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়াযজ্ঞ দেখতে দেশটিতে জড়ো হবেন প্রায় ১ কোটি মানুষ। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বড় প্রশ্ন-ফুটবলপ্রেমীদের এই বিশাল চাপ সামলাতে পারবে তো আমেরিকার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা? ১১টি আয়োজক শহরের বিশাল দূরত্ব ও ট্রেনের সীমাবদ্ধতা এখন আমেরিকার জন্য মস্ত বড় পরীক্ষা।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন, নিউইয়র্ক ও ফিলাডেলফিয়ার মধ্যে বিশ্বকাপের ২১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই রুটে খেলা দেখতে যাওয়া দর্শকদের মূল ভরসা ‘অ্যামট্র্যাক’ ট্রেন। ফুটবলপ্রেমীদের মতে, দূরপাল্লার এই ট্রেনগুলোই হতে যাচ্ছে ফুটবল উন্মাদনার প্রধান কেন্দ্র। ১৯ জুন ফিলাডেলফিয়ায় ব্রাজিল ও হাইতির ম্যাচ রয়েছে। নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে প্রায় আড়াই লাখ হাইতিয়ান প্রবাসী থাকায় এই রুটে এখনই দারুণ ফুটবলীয় আবহের অপেক্ষা করছেন সমর্থকরা। একইভাবে ফ্রান্সের ম্যাচগুলোকে ঘিরে ফরাসি সমর্থকেরাও পুরো ট্রেন নীল রঙে রাঙিয়ে তুলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড ৩ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেছেন।

বিশ্বকাপ সামনে রেখে রেললাইন ও ব্রিজের উন্নয়নে ৩ কোটি ডলার খরচও করা হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় ট্রেনের অবস্থা বেশ নাজুক। টেক্সাসের দুই শহর ডালাস ও হিউস্টনের মধ্যে সরাসরি ট্রেনে আগে সময় লাগত ৬ ঘণ্টা। সেই রুট বন্ধ হওয়ায় এখন এই পথ পাড়ি দিতে ট্রেন সময় নেয় প্রায় ২৩ ঘণ্টা! অন্যদিকে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে সিয়াটল যেতে ট্রেনে সময় লেগে যায় প্রায় ৩৪ ঘণ্টা। আমেরিকার বেশির ভাগ রেলপথের মালিকানা বেসরকারি মালবাহী কোম্পানিগুলোর হাতে। তারা যাত্রীবাহী ট্রেনের চেয়ে নিজেদের মালামাল পরিবহনকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

ফলে যাত্রীবাহী ট্রেন সময়মতো চালানো সম্ভব হয় না। এর ওপর নতুন সরকারি বাজেটে রেল খাতের ফান্ড এক ধাক্কায় ৮২ শতাংশ কাটার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইউরোপের দেশগুলোর তুলনায় আমেরিকার রেল ব্যবস্থা অনেক পিছিয়ে। স্পেনে যা ৩ ঘণ্টায় যাওয়া যায়, আমেরিকায় সমদূরত্বের পথ পাড়ি দিতে ট্রেনে সময় লেগে যায় প্রায় ৯ ঘণ্টা। চাহিদা বাড়ার কারণে বিশ্বকাপের সময় ট্রেনের টিকিটের দাম অনেক বেশি। তবে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম বাড়তে থাকায় বিমান বা গাড়ির চেয়ে ট্রেনকেই সাশ্রয়ী বিকল্প ভাবছেন দর্শকরা। কাতার বিশ্বকাপের মতো কাছাকাছি স্টেডিয়ামের সুবিধা এখানে নেই, তাই বিশ্বকাপ সফল করতে আমেরিকার এই রেল ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা