• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
Headline
২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা বাংলাদেশ-কাজাখস্তান সম্পর্ক জোরদারে স্থায়ী কূটনৈতিক মিশন স্থাপনে একমত দুই প্রধানমন্ত্রী দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা নিয়ে ভারতের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় বাংলাদেশ ভালুকায় পরিবেশ, বন প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় বুধবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ১৯তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়। চৌদ্দগ্রামে বাবুচি দারুচ্ছুন্নাৎ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম মিয়াজীর স্মরণে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত ‎দক্ষিণ আইচায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল, রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে

২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য

একুশে সংবাদ ডেস্ক / ৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে আগামী ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে একযোগে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বাদ পড়লে পরদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়া দেশের ১২টি জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় ক্যাম্পেইনের পরবর্তী চার দিনও ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’-এর অভাব শিশুদের রাতকানা রোগ ও অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। এ অভাব দূর করতে ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে আরও ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দুই দশক আগেও দেশে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশু অন্ধত্বের ঘটনা উল্লেখযোগ্য ছিল। তবে নিয়মিত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম চালুর ফলে এ ধরনের সমস্যার হার দ্রুত হ্রাস পেয়েছে।

ড. মুহিত জানান, তীব্র বা জটিল অসুস্থতায় আক্রান্ত শিশু ছাড়া প্রায় সব শিশুই এ ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারবে। তবে শিশুকে খালি পেটে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল না খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ নির্ধারিত বয়সসীমার সব শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category