ঢাজা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাটুলি ফেরিঘাটে ভাড়া দ্বিগুণ আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

কিশোরগঞ্জ: বাজিতপুর উপজেলা-এর পাটুলি ফেরিঘাটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না থাকায় সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানা যায়, গত ১২ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরিঘাট এলাকায় একটি নতুন ভাড়ার তালিকা নির্ধারণ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। সেখানে প্রতি যাত্রীর ভাড়া ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, মাত্র ২–৩ দিনের মধ্যেই সেই সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়।

এরপর থেকে ফেরি ঘাটে আগের মতোই প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ২০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অষ্টগ্রাম উপজেলা-এর সাধারণ যাত্রীরা অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়েছেন।

হাওর এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, বারবার এমন অনিয়ম ঘটলেও কার্যকর নজরদারির অভাবে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। ফলে ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিত না হওয়ায় প্রতিদিনই তাদের ভোগান্তি বাড়ছে।

স্থানীয়রা বাজিতপুর উপজেলা প্রশাসন ও অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রশাসন-এর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে একটি সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, হাওর অঞ্চলের মানুষ ন্যায্য ভাড়া ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা চায়, যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোকারীদের প্রশ্রয় না দিতে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পাটুলি ফেরিঘাটে ভাড়া দ্বিগুণ আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জ: বাজিতপুর উপজেলা-এর পাটুলি ফেরিঘাটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না থাকায় সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানা যায়, গত ১২ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরিঘাট এলাকায় একটি নতুন ভাড়ার তালিকা নির্ধারণ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। সেখানে প্রতি যাত্রীর ভাড়া ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, মাত্র ২–৩ দিনের মধ্যেই সেই সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়।

এরপর থেকে ফেরি ঘাটে আগের মতোই প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ২০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অষ্টগ্রাম উপজেলা-এর সাধারণ যাত্রীরা অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়েছেন।

হাওর এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, বারবার এমন অনিয়ম ঘটলেও কার্যকর নজরদারির অভাবে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। ফলে ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিত না হওয়ায় প্রতিদিনই তাদের ভোগান্তি বাড়ছে।

স্থানীয়রা বাজিতপুর উপজেলা প্রশাসন ও অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রশাসন-এর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে একটি সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, হাওর অঞ্চলের মানুষ ন্যায্য ভাড়া ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা চায়, যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।