• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বাস্তবায়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান ড. মঈন খানের নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বিশিষ্টজনদের মাঝে বাংলাদেশের আম উপহার শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ‘এটি ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট’ — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়তে শিক্ষা কারিকুলাম পুনর্গঠন করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী বাপেক্সকে শক্তিশালী করে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করবে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী উত্তরাঞ্চলে শিল্পায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আসছে চীনা প্রতিনিধিদল ‘এটি সবার বাজেট, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নয়’ — অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপে কানাডার ইতিহাস গড়া ড্র

কিশোরগঞ্জে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি, ধান উদ্ধারে ব্যস্ত কৃষকরা

ইকবাল খান, স্টাফ রিপোটার, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ / ৭২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

টানা বৃষ্টিপাত কমে আসায় কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। জেলার সবক’টি নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে মাঝেমধ্যে আকস্মিক বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টায় জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি ৩ দশমিক ২৭ মিটারে নেমে এসেছে, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ১ সেন্টিমিটার কমেছে। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ছিল ২ দশমিক ৯৩ মিটার এবং অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি কমে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৫৭ মিটারে। এছাড়া ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে ১ দশমিক ৬২ মিটারে নেমেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার ৮৮ থেকে ৪১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ উঠায় হাওরাঞ্চলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কৃষকরা পানিতে ডুবে যাওয়া ক্ষেত থেকে ধান উদ্ধার এবং খলায় রাখা ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে তাদের কাজে বিঘ্ন ঘটছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, উজান থেকে ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাত আবার শুরু হলে নদ-নদীর পানি পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষি ও জনজীবনে নতুন করে প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, ৪ মে পর্যন্ত জেলার ১৩টি উপজেলায় ১১ হাজার ১২২ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও প্রায় দেড় হাজার হেক্টর বোরো ধান পানিতে ডুবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা