• বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
Headline
সন্ধ্যার মধ্যে নয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের আভাস : আবহাওয়া অধিদপ্তরের জনগণ চাইলে আগামীতে ৩৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হচ্ছেন লুৎফর রহমান বিশ্বকাপ ফুটবলের গানে মানবতার সুর বার্তা দিলেন : মাহবুবুল খালিদ বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়ার হুমকি মেক্সিকো ফুটবলারদের : ফুটবল ফেডারেশন হ্যান্ডবল থেকে যে কারণে বেঁচে গেলো পিএসজি : চ্যাম্পিয়ন্স লীগ তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে টানটান উত্তেজনা : থালাপতি বিজয় শাকিবের রকস্টার সিনেমার টিজার প্রকাশ -মুক্তি পাবে  ‘তোমাদের গল্প-২’ : ঈদে আসছে বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী হতে কংগ্রেসের দ্বারস্থ বিজয়, যে শর্ত জুড়ে দিল রাহুলের দল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৫২%

কিশোরগঞ্জে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি, ধান উদ্ধারে ব্যস্ত কৃষকরা

ইকবাল খান, স্টাফ রিপোটার, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ / ৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

টানা বৃষ্টিপাত কমে আসায় কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। জেলার সবক’টি নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে মাঝেমধ্যে আকস্মিক বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টায় জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি ৩ দশমিক ২৭ মিটারে নেমে এসেছে, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ১ সেন্টিমিটার কমেছে। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ছিল ২ দশমিক ৯৩ মিটার এবং অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি কমে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৫৭ মিটারে। এছাড়া ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে ১ দশমিক ৬২ মিটারে নেমেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার ৮৮ থেকে ৪১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ উঠায় হাওরাঞ্চলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কৃষকরা পানিতে ডুবে যাওয়া ক্ষেত থেকে ধান উদ্ধার এবং খলায় রাখা ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে তাদের কাজে বিঘ্ন ঘটছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, উজান থেকে ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাত আবার শুরু হলে নদ-নদীর পানি পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষি ও জনজীবনে নতুন করে প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, ৪ মে পর্যন্ত জেলার ১৩টি উপজেলায় ১১ হাজার ১২২ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও প্রায় দেড় হাজার হেক্টর বোরো ধান পানিতে ডুবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা