• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
ছাত্রদল প্রকাশ্যে রক্ত দিয়ে লড়াই করেছে তাই তাদের ‘সুপ্ত’ বা ‘গুপ্ত’ বলার সুযোগ নেই : রিজভী সার ডিলার নিয়োগে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের সবচেয়ে বড় শক্তি হবে তরুণ প্রজন্ম : ববি হাজ্জাজ রংপুর মহানগরীর উন্নয়নে ১,৮১৩ কোটি টাকার দুই প্রকল্প অনুমোদন হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার তিন বছর পূর্তি উদযাপন পালন করছে ইসরাইল হুতির ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত সৌদি জোটের শ্যামল মাওলা-তানজিন তিশার ‘মায়াডোর’ ফুটবলপ্রেমীর মেসির জায়গা কখনোই পূরণ হওয়ার নয় : এমেলি প্যারা অ্যাথলেটদের সফলতায় সরকার সর্বোচ্চ সম্মান সুবিধা দেবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ‘মায়াডোর’ শ্যামল মাওলা-তানজিন তিশার

বদলে যাচ্ছে চৌদ্দগ্রামের গ্রামীণ জনপদ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্পে নতুন আশার আলো

মো: মাছুম: / ২০০ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো গ্রামীণ জনপদের চিত্র বদলে দিচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার কনকাপৈত ও জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে স্থানীয় জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এক সময়ের কর্দমাক্ত মাটির রাস্তা আর জীর্ণ সাঁকোর বদলে এখন নির্মিত হচ্ছে আধুনিক টেকসই হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) রাস্তা এবং আরসিসি রাস্তা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত এসব প্রকল্পের সুফল সরাসরি ভোগ করছেন ইউনিয়নগুলোর হাজার হাজার মানুষ।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, আগে যেসব গ্রামীণ রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত, বর্তমানে সেই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে সাধারণ মানুষ। একসময় কাদা-জলের কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত ব্যাহত হতো এবং কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারজাত করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতেন। এমনকি মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিতেও পোহাতে হতো চরম ভোগান্তি। এখন আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে এসব নাগরিক সুবিধা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছেছে।

উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ফলে তাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন খুব সহজেই পণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে কনকাপৈত ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: মীর হোসেন জানান, “দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহায়তায় চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের মান নিয়ে তারা অত্যন্ত সচেতন। বর্তমানে বাস্তবায়িত কাজের মান আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে উন্নত এবং টেকসই”।

একই চিত্র দেখা গেছে জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নেও। সেখানকার সাধারণ মানুষ জানান, নতুন রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে পানি-কাদা থেকে তারা মুক্তি পেয়েছেন।

জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা মেনে এবং শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছি। কাজের সর্বোচ্চ মান ধরে রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য, এখন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকেও প্রতিটা কাজের যথাযথ তদারকি করছেন।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে চৌদ্দগ্রামের প্রতিটি ইউনিয়ন একটি মডেল জনপদে পরিণত হবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category