• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
২৩ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: ভোটগ্রহণ চলছে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রত্যাশা ছিল : নাহিদ ইসলাম ইতালিতে হোটেল নোংরা করার অভিযোগ জেমসদের বিরুদ্ধে : জরিমানা লম্বা ছুটিতে সাফা কবির : ছোট পর্দা স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেলেন দীপু মনি বিদ্যুৎ সংকটে সরকারের দায় নেই, তবুও জনগণের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ: তথ্য উপদেষ্টা মেসির দারুণ গোল, সুলিভানের লাল কার্ড; তবুও জয়হীন মিয়ামি পচেফস্ট্রুমে ম্যাচ বাঁচাল বাংলাদেশ : অঙ্কনের ৩৫ ওভারের লড়াই ফেনীতে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা ও শৃঙ্খলার ওপর দিকনির্দেশনা দিলেন ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী সাবেক কূটনীতিক ট্রাম্পের চাপেই ইরানিরা আরও ঐক্যবদ্ধ

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না : হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেস্ক. / ১০১ Time View
Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রায়ে আদালত এ নির্দেশনাকে ‘continuous mandamus’ হিসেবে ঘোষণা করেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত তদারকি করতে পারেন। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন। সোমবার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত বলেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

রায়ে বলা হয়েছে, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য, কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা, সামাজিক ভারসাম্যহীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। আদালতের মতে, এ ধরনের চর্চা নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও লঙ্ঘন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিল। শুধু একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নজরদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।
রায়ে আরও করা হয়, নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালিত অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকা প্রয়োজন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category