ঢাকা, ৮ জুন:
গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে দেশে দৈনিক সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
আজ জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের (কুমিল্লা-৯) তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে সরকার জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামোর উন্নয়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সার্বিকভাবে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। তবে প্রাথমিক জ্বালানির স্বল্পতা, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে কখনও কখনও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে সরকার সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং জ্বালানি সাশ্রয়মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।