• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
Headline
রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘে বাংলাদেশের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত সরকারি খাদ্য মজুত ২০.৬০ লাখ টন, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণ নেই পতেঙ্গায় সীবার্ড হোটেলের পঁচা-বাসি খাবার খেয়ে ৪ পর্যটক অসুস্থ টেকসই উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সচেতনতা বাড়লেই কমবে সড়ক দুর্ঘটনা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত অনুমোদন পাবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক নারীর ক্ষমতায়ন ও জলবায়ু সহনশীলতায় জাতিসংঘ নারী সংস্থার সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬: খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ সরকারের বগুড়ায় ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘে বাংলাদেশের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৭ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী শুক্রবার মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে আগ্রহী এবং প্রত্যাবাসনই এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।

শুক্রবার জাতিসংঘে মিয়ানমার বিষয়ে মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

শনিবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে। ফলে এর স্থায়ী ও কার্যকর সমাধানও মিয়ানমারেই খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকট দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং নিরাপত্তাজনিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় সম্পদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। তাই সংকটের দ্রুত ও টেকসই সমাধান এখন সময়ের দাবি।

তিনি শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং আঞ্চলিক অংশীজনদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, “রোহিঙ্গারা নিজেরাও তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়। প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান।”

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ ছাড়তে বাধ্য করার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং সংকটের মূল কারণগুলো দূর করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও শক্তিশালী সমর্থন প্রয়োজন।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বিশ্ব ও আঞ্চলিক পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশ মনে করে, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমেই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব। এ লক্ষ্যে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা ও অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা