চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানার ৪০ নং ওয়ার্ডস্থ স্টিলমিল এলাকায় টিএনটির কোটি টাকার তার চুরির অভিযোগ উঠেছে সোহেল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
টিএনটির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে কোটি টাকার তার চুরি করেন এই চক্রোটি।দীর্ঘদিন অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে এসব তথ্য। টিএনটির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদকর্মী কে মামলা দেয়ার হুমকি দেন স্থানীয় এক পাতি নেতা।
এবিষয়ে সচেতন নাগরিকরা সংবাদমাধ্যম কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নগরীর ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানা এলাকায় টিএনটির তার সহ বিদ্যুৎতের তার রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে খাল খনন করে কোটি টাকার তার চুরি করে বিভিন্ন ভাংরি দোকানে বিক্রি করছেন এসব কাজে সহযোগিতা করছে টিএনটির কর্মকর্তারা।
তার চোরদের ব্যাপারে টিএনটির অফিসে একটি অভিযোগ করা হয়েছে,অভিযোগটি বর্তমানে অকার্যকর হিসাবে টিএনটির অফিসের ময়লার ডাচবিনে ফেলে দেয়া হয়েছে।
এবিষয়ে অত্র এলাকার এক স্থানীয় নেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন,ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জোরালো কন্ঠে বলেছিলেন, আল্লার দোহাই লাগে কেউ যদি বিএনপি থেকে চাঁদাবাজি করে তাকে ছাড় দেয়া হবে না।
বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মী কে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও পঞ্চাশ হাজার নেতাকর্মী কে বহিষ্কার করা হবে।চাঁদাবাজি মাস্তানি চলবে না এই বক্তব্য কে তোয়াক্কা না করে ৪০ ও নং ওয়ার্ডের বিএনপির নেতাকর্মীরা এসব অপকর্ম করছে বলে জানান সচেতন নাগরিকরা।
এবিষয়ে চোরচক্রের মুল হোতা মোঃ সোহেল’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সংবাদমাধ্যম কে বলেন,এসব কাজ আমি এক করি না,এসব কাজে জরিত রয়েছে,মোঃ পোড়া মনির,মোঃ সাইদুল মোঃ লাল শাহীন, মোঃ তানভীর , বড় মনির , সহ পতেঙ্গা থানার ৪০ নং ওয়ার্ডের কিছু স্থানীয় নেতারা।
সোহেল আরও বলেন,স্যার আপনারা আমার ক্ষতি করবেন না,আমি আগে এসব কাজে জরিত ছিলাম,বর্তমানে আমি এসব কাজ করি না, আপনারা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করবেন না।আমি আপনাদের সাথে কোথায় দেখা করব। তিনি আরও বলেন, এইসব কাজে স্থানীয় কিছু নেতা জরিত রয়েছে।বিগত ১২ ফেব্রয়ারী বিকেল থেকে গত ১৮ জুন রাতের ১১ টা হতে ১২টা অর্থাত ১৯ জুন এ ফ্রিপোর্ট গ্র্যান্ড পতেঙ্গা থেকে ৪০ গজ পিছনে ভিআইপি সড়ক গর্ত করে টিএনটির তার চুরি করা হয়।
গত ২৪ জুন বুধবার ও ২৫ শে জুন বৃহস্পতিবারে টিএনটির তার চুরি করে পতেঙ্গা থানার ৪০ নং ওয়ার্ডস্থ এলাকায় তার গুলো পুড়ে ফেলা হয়েছে। টিএনটির তার দুই খাতে প্রায় চার হতে পাঁচশত কেজির অধিক তামা বের করেন। বর্তমানে প্রতি কেজি তামার মুল্য ১৬০০/এক হাজার ছয়শত টাকা। পাঁচশত কেজির অধিক তামার মুল্য বর্তমান বাজারে কয়েক লাখ টাকা।এর বাহিরে রয়েছে টিএনটির তারের কার্ভার। সবমিলিয়ে ৯ নয় লাখ টাকা।
এবিষয়ে চোর সদস্যদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।
এসব টাকা কোন খাদে যাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন সচেতন নাগরিকদের।
দ্বিতীয় পর্বে আসছে বাকি চোরদের নাম।