• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
মীরসরাইয়ে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে জুলাই গণঅভ্যূত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্যে বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল ১৭ বছরের স্বৈরাচারের অবসানের জন্য: শামা ওবায়েদ দেশজুড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি করেছে: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম ‘স্বৈরাচারী শাসকরা ফিরে আসেনি, শেখ হাসিনাও ফিরবেন না’—আমির হামজা ‘শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট’- রুহুল কবির রিজভী জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক তথ্যচিত্রের ‘ত্রুটি’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ

শেখ হাসিনার দিল্লিতে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্যে বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ

একুশে সংবাদ ডেস্ক / ৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

ভারতের প্রতি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

পলাতক ও ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং ভারত-বাংলাদেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর।

বুধবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পলাতক ও সাজাপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী’ শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে সরাসরি সংবাদমাধ্যমে আলাপচারিতার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ ‘অত্যন্ত ক্ষুব্ধ’। বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এ বিষয়ে বাংলাদেশ আগে থেকেই ভারত সরকারকে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় সরকার গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীর দিনে আয়োজিত এ কর্মসূচি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি চরম অসম্মান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনায় শিশুসহ সাধারণ মানুষ হত্যার বিষয়ে জাতিসংঘ যে তথ্য নিশ্চিত করেছে, তা অস্বীকারের মাধ্যমে ইতিহাস মুছে ফেলার একটি ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ অতীতেও এ ধরনের প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এখনও তা প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জুলাই বিপ্লবের চেতনার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার অধ্যায়ে ফিরে যাবে না এবং কোনো দেশের অনুগত রাষ্ট্রেও পরিণত হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো স্থান হবে না।

একই সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক, পারস্পরিক লাভজনক ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তবে সরকার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-ভারত বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার বারবার অনুরোধের পরও ভারত এখনও কোনো সাড়া দেয়নি। বরং তাকে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে এবং এটি দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category